১৫ জুলাই ২০২৬, ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩
ধূমকেতুটি প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি বছর আগে এমন এক সময়ে তৈরি হয়েছিল যে সময় মহাবিশ্বের ওই অঞ্চলে তীব্র গতিতে তারা তৈরি হচ্ছিল।
জাপানি মহাকাশযানের আনা রিউগু গ্রহাণুর ধূলিকণায় মিলেছে প্রাণের মৌলিক উপাদান ডিএনএ’র সন্ধান, যা পাল্টে দিতে পারে প্রাণের আদি ইতিহাস।
সূর্যের কাছে আসার সময় ধূমকেতুটি থেকে আলাদা হয়ে যাওয়া বরফ কণা সম্ভবত উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মিথানল বাষ্প ছেড়ে দিচ্ছে।
অনেকে ধারণা করছিলেন বস্তুটি এলিয়েন স্পেসশিপ বা ভিনগ্রহবাসীদের কোনো মহাকাশযান হতে পারে। তবে সে জল্পনা পুরোপুরি উড়িয়ে দিয়েছেন নাসার কর্মকর্তারা।
গত মাসে এ ধূমকেতুর খোঁজ পেয়েছেন একজন স্বতন্ত্র তারা বিজ্ঞানী। সূর্য অস্ত যাওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর, দক্ষিণ-পশ্চিম আকাশের দিকে তাকালেই এটি দেখা যেতে পারে।
ধূমকেতুর ধ্বংসাবশেষ যখন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করে জ্বলে উঠে তখন জ্বলজ্বলে আলো ছড়ানোর মতো পার্সেইড উল্কাবৃষ্টির ঘটনা ঘটে।
২০২৩ সালের নভেম্বরে নাইজার দেশের এক দূরবর্তী অঞ্চলে পাওয়া গিয়েছিল এটি এবং মঙ্গল গ্রহ থেকে পাওয়া দ্বিতীয় বড় টুকরার চেয়ে ৭০ শতাংশ বড় এই পাথরখণ্ড।
‘ধূমকেতু’ মুক্তি পাচ্ছে ১৪ অগাস্টে।