১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থায় বাজেটকে ‘চ্যালেঞ্জিং’ এবং ঘাটতি পূরণে ঋণনির্ভরতা ব্যাংক খাতের পুনরুদ্ধার ও বেসরকারি বিনিয়োগে ঋণপ্রবাহের জন্য ‘ইতিবাচক নয়’ বলে মনে করছে বাণিজ্য সংগঠনটি।
নীতি সুদের হার ক্রমান্বয়ে কমানোর পাশাপাশি উৎপাদনশীল খাত, রপ্তানিমুখী শিল্প এবং এসএমইর জন্য লক্ষ্যভিত্তিক ভর্তুকিযুক্ত ঋণসুবিধা চান ডিসিসিআই সভাপতি।
নীতিসুদ হার আগের মতই ১০ শতাংশে রেখে জানুয়ারি-জুন সময়ের মুদ্রানীতি ঘোষণা করে গেছেন আহসান মনসুর।
“চাঁদাবাজি বন্ধ না হলে আমাদের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে হবে,” বলেন চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ।
অর্থনৈতিক তত্ত্ব বলে, সুদহার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কিছুটা বেশি হওয়া উচিত। কিন্তু বাংলাদেশে মূল্যস্ফীতির বড় কারণ সিন্ডিকেট, চাঁদাবাজি, সরবরাহে সমস্যা।
দেশের মোট জিডিপির ৪৬ শতাংশই ঢাকাকেন্দ্রিক; আর মোট কর্মসংস্থানের ৪০ শতাংশ রয়েছে এখানে।
“বাজেটে মূল্যস্ফীতি হ্রাসে কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালন ব্যয় বাড়বে, যা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির গতিকে মন্থর করবে।”
এনবিআর চেয়ারম্যান বলেছেন, সরকারও ভ্যাট হার সিঙ্গেল ডিজিটে নিয়ে আসতে আগ্রহী, তবে সেক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের সদিচ্ছা ও স্বচ্ছতা অপরিহার্য।