০৪ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
কঙ্গোয় ইবোলার উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা ১৩৯ জনে দাঁড়িয়েছে। ভাইরাসটি শনাক্ত করতে সময় লাগার কারণে মৃত্যু আরও বাড়তে পারে- বলছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
কঙ্গোয় ইবোলায় মৃত বেড়ে আনুমানিক ১৩১ জনে দাঁড়িয়েছে এবং এই ভাইরাস সংক্রমণের সন্দেহ থাকা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১৩ জনে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী মোট ৩ লাখ ২৮৫ জন শিশুকে টিকা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল।
বিশ্ব ম্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, এই ভাইরাস কেবল দীর্ঘক্ষণ নিবিড় সংস্পর্শে থাকলেই একজনের দেহ থেকে অন্যজনে ছড়ায়।
আক্রান্তদের বড় অংশের টিকা নেওয়া ছিল না; কারো কারো শুধু এক ডোজ নেওয়া, বলেছে জাতিসংঘের সংস্থাটি।
মঙ্গলবার সৌদি হাসপাতালে থাকা প্রত্যেককেই ঠাণ্ডা মাথায় হত্যা করে আরএসএফ সদস্যরা। তাদের হাত থেকে রোগী, তাদের সঙ্গী কিংবা সেখানে উপস্থিত কেউই রক্ষা পায়নি।
“সব রোগী, স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানকে আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের আওতায় সুরক্ষিত রাখতে হবে,” বলেন তেদ্রোস।
বিবিসি রেডিও ফোর’স টুডে প্রোগ্রামে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মহাপরিচালক বলেন, গাজার জনগণের নানান চাহিদা পূরণে ত্রাণ সহায়তা বিপুল পরিমাণ বাড়াতে হবে।