২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে জানাতে বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলন ডাকা হয়েছে।
সংসদ সচিবালয়ের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, “রাষ্ট্রপতির বিষয় নিয়েই এ ব্রিফিং ডাকা হয়েছে।”
“উনি কী করবেন, না করবেন, তা তো আমি জানি না। রাষ্ট্রপতি দেশের প্রথম ব্যক্তি।”
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের সময় স্পিকারকে দেশে বা সশরীরে উপস্থিত থাকতে হবে, সংবিধানে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা না থাকলেও রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে স্পিকারকে দায়িত্ব নিতে হয়।
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।
এ ব্যাপারে সরকারের কোনো পদক্ষেপ নেই দাবি করে তিনি বলেন, "সরকারের পক্ষ থেকে কিছু বলা হচ্ছে না। আপনারা পত্রিকায় দেখছেন। আর এটা যদি ঘটনা হয় তো আমরাও দেখব।"
বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “রাষ্ট্রপতি আমাদের সঙ্গে আলোচনায় প্রায়ই বলেন, ‘শরীরটা ভালো যাচ্ছে না, যে কোনো সময় যে কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে নিতে পারি।’”
অভ্যুত্থানের শেষ পর্যায়ে ‘সায়ের গংদের আর্মি ক্যু’ করার কথিত চেষ্টা এবং আওয়ামী লীগের পতনের পর বিএনপি নেতাদের সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের যোগাযোগের কথাও বলেছেন এনসিপি নেতা।