টানা তৃতীয় দিন ঊর্ধ্বমুখী পুঁজিবাজার
দিন শেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স দাঁড়ায় ৫ হাজার ২৩৮ পয়েন্ট
টানা তিন দিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় রয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক।
বুধবার দেশের অন্যতম এ পুঁজিবাজারের মূল্যসূচকে আগের দিনের সঙ্গে যোগ হয় আরও ১২ পয়েন্ট। তবে লেনদেনের পরিমাণ কিছুটা কমে দাঁড়ায় ৪৭৬ কোটি ৫১ লাখ টাকা।
আগের দুই দিন ঊর্ধ্বমুখী থাকা বস্ত্র, বীমা, প্রকৌশল ও ব্যাংক খাতের শেয়ার দিনের মধ্যভাগে মিশ্র ধারায় কেনাবেচা হওয়ায় মূলত লেনদেন কমে যায়।
সপ্তাহের চতুর্থ দিন শেষে প্রধান সূচক ডিএসইএক্স দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ২৩৮ পয়েন্ট। আগের দিন ২৪ পয়েন্ট যোগ হয়ে সূচক ঠেকেছিল ৫ হাজার ২২৬ পয়েন্টে।
শেয়ার বিক্রির চাপ সামলে সূচক ইতিবাচক ধারায় রেখেছে একচেটিয়া দর বৃদ্ধি পাওয়া মিউচুয়াল ফান্ড। দর বৃদ্ধির তালিকায় আছে এসএমই্ খাতের তালিকাভূক্ত কোম্পানিও।
সকাল থেকে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত সূচক ধীরে ধীরে এগোতে থাকার সময়ে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর বাড়তে থাকে।
বেলা সাড়ে ১১টার পর থেকে দেড়টা পর্যন্ত সূচকে সবচেয়ে উল্লম্ফন দেখা দেয়। এসময় আগের দিনের চেয়ে সূচকে যোগ হয়েছিল ৩৯ পয়েন্ট, অর্থাৎ সূচক উঠে যায় ৫ হাজার ২৬৫ পয়েন্টে।
তিন খাতের অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ার দর সংশোধনে গেলে সূচকেও প্রভাব পড়ে। সেখান থেকে কিছুটা সূচকে সংশোধন হয়ে চূড়ান্তভাবে আগের দিনের চেয়ে ১২ পয়েন্ট যোগ হয়।
এতে গত তিন দিনে ডিএসই সূচকে যোগ হয় ৫৩ পয়েন্ট, বাজার মূলধন বাড়ে চার হাজার ৯৭১ কোটি ৮৭ লাখ টাকা।
বুধবার লেনদেন হওয়া ৩৯৪টি কোম্পানির মধ্যে শেয়ার দর বাড়ে ১৩৯টির, কমে ২০৬টির এবং অপরিবর্তিত থাকে ৪৯টির।
লেনদেনের তথ্য অনুযায়ী, খাত হিসেবে সর্বোচ্চ ৫৫ কোটি টাকার লেনদেন করে ডিএসইতে প্রথম অবস্থানে ছিল ব্যাংক খাত। এরপর ছিল ওষুধ ও রসায়ন খাত। এসব খাতের কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচা হয় ৫২ কোটি ৮৯ লাখ টাকার, যা মোট লেনদেনের ১২ শতাংশ। ১০ দশমিক ২৩ শতাংশ লেনদেন নিয়ে তৃতীয় স্থানে ছিল বস্ত্রখাত।
দিন শেষে ক্লোজিং প্রাইস বিবেচনায় ডিএসইতে শীর্ষ দর বৃদ্ধি কোম্পানির তালিকায় উঠে আসে আইসিবি এএমসিএল সোনালী ব্যাংক ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ড।
এর পরেই ছিল ফার্স্ট জনতা ব্যাংক মিউচুয়াল ফান্ড, আইসিবি এএমসিএল সিএমএসএফ গোল্ডেন জুবিলি মিউচুয়াল ফান্ড, ইবিএল এনআরবি মিউচুয়াল ফান্ড ও এলআর গ্লোবাল বাংলাদেশ মিউচুয়াল ফান্ড ওয়ান।
অন্যদিকে সবচেয়ে বেশি দর হারায় এমারেল্ড অয়েল, জুটস্পিনার্স, এইচ আর টেক্সটাইল, পদ্মা অয়েল ও দেশবন্ধু পলিমার।
