বয়সভিত্তিক সাঁতারে ১৩ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন মাইশা
২০১২ সালে আনসারের নাজমা খাতুনের গড়া রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এই সাঁতারু।
বয়সভিত্তিক সাঁতার ও ডাইভিং প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে আলো ছড়িয়েছেন মাইশা আক্তার মীম। বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিকেএসপির এই সাঁতারু এক যুগেরও বেশি পুরোনো রেকর্ড ভেঙেছেন।
মিরপুর সুইমিং কমপ্লেক্সে বুধবার প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে ২৪টি ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। রেকর্ড হয়েছে একটি। বালিকা ১৫-১৭ বছর বিভাগে ১০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে রেকর্ডটি গড়েছেন মাইশা।
হ্যান্ড টাইমিংয়ে হওয়া প্রতিযোগিতায় ১ মিনিট ৭ দশমিক ৫৪ সেকেন্ড সময় মাইশা ভেঙেছেন ২০১২ সালে বাংলাদেশ আনসারের নাজমা খাতুনের গড়া রেকর্ড (১ মিনিট ৭ দশমিক ৬০ সেকেন্ড) ।
কিশোরগঞ্জের বাবুল মিয়া ও মোসাম্মৎ নাসরিন দম্পতির ৫ সন্তানের মধ্যে মাইশা দ্বিতীয়। বর্তমানে বিকেএসপিতে দশম শ্রেণিতে পড়া এই সাঁতারু প্রথম দিনে সোনা জিতেছেন আরও দুই ইভেন্টে।
২০০ মিটার ইনডিভিজ্যুয়াল মিডলে ও ৪০০ মিটার ফ্রি স্টাইলে সেরা হয়েছেন এই তরুণী। একটি রেকর্ডসহ তিনটি সোনা জিতে দিন শেষ করে খুশি হলেও টাইমিং নিয়ে একটু আক্ষেপ আছে তার।
“আমার অনুভূতি… আমি বলে প্রকাশ করতে পারব না। আজকে প্রথম দিন, আমি একাই রেকর্ড করেছি। এই অনুভূতি প্রকাশের ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না। তবে আজ যে টাইমিং করেছি, সেটা আরেকটু ভালো হতে পারত। আজ খুব নার্ভাস ছিলাম।”
বয়সভিত্তিকের গত আসরে মাইশা জয় করেন ৭টি সোনা ও ২টি রুপা। রেকর্ড গড়েন ২টি ইভেন্টে। গতবারের সাফল্য ছাপিয়ে যাওয়াসহ আরও অনেক বড় স্বপ্ন তার।
“এবার ৯ ইভেন্টের সবকটিতেই সোনা জিততে চাই। সেরা সাঁতারু হতে চাই। বর্তমানে আমি এসএ গেমসে সোনা জয়ের চিন্তা করছি। আর ভবিষ্যতে আমি অলিম্পিকে ওয়াইল্ড কার্ড নিয়ে যেতে চাই না। নিজের যোগ্যতা দিয়ে যেতে চাই।”
