১৫ বছরের রেকর্ড গোল করে প্রশংসায় ভাসছেন গিলের
রেয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে প্রায় ছয় মাস পর জালের দেখা পেলেন এই তরুণ তুর্কি।
প্রতিপক্ষের গোলরক্ষককে অপ্রস্তুত দেখে অনেক দূর থেকে যে শট নিলেন আর্দা গিলের, তা কেবল ঠিকানাই খুঁজে পেল না, জয় করে নিল অনেকের মন। এলচের বিপক্ষে দুর্দান্ত গোল করে প্রতিপক্ষ কোচেরও প্রশংসা পাচ্ছেন রেয়াল মাদ্রিদ তারকা।
সান্তিয়াগো বের্নাবেউয়ে শনিবার রাতে লা লিগায় ৪-১ গোলে জয়ের ম্যাচে দলের শেষ গোলটি করেন গিলের।
প্রথমার্ধে আন্টোনিও রুডিগার, ফেদে ভালভের্দে ও দ্বিতীয়ার্ধে ডিন হাউসেনের গোলে দীর্ঘ সময় ৩-০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল রেয়াল। তাদেরই তরুণ মিডফিল্ডার মানুয়েল বদলি নেমে ৮৫তম মিনিটে একটি আত্মঘাতী গোল করলেও, কিছুক্ষণ পরই চমৎকার নৈপুণ্যে ফের ব্যবধান বাড়ান গিলের।
নির্ধারিত সময় শেষের তখন মিনিট খানেক বাকি। কী বুঝে এলচে গোলরক্ষক মাতিয়াস দিতুরো তার পোস্ট থেকে অনেকটা দূরে দাঁড়িয়ে, এক ফাঁকে দেখেই নিজেদের অর্থ থেকে শট নেন গিলের। বল হাওয়ায় ভেসে, গোলরক্ষকের ওপর দিয়ে গিয়ে এক ড্রপে চলে যায় জালে।
৬৮.৬ মিটার দূর থেকে শট নিয়ে গোলটি করেন তুর্কি অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার, লা লিগায় গত ১৫ আসরে এটাই সবচেয়ে দূরপাল্লার গোল।
ম্যাচের পর ওই গোলের প্রশংসায় রেয়াল কোচ আলভারো আরবেলোয়া বললেন, এটা যেন একটা শিল্পকর্ম।
“আমাদের এটাকে বাঁধিয়ে দেয়ালে টাঙিয়ে রাখা উচিত। চমৎকার, অসাধারণ গোল। আমি সবাইকে বিস্ময়ে হাত তুলতে দেখেছি এবং আমিও তাই করেছি। টিকেটের জন্য অর্থ খরচ করাটা কাজে দিয়েছে।”
এলচে কোচ এদের সারাবিয়ার চোখে, গিলের অনেক বড় মাপের থেলোয়াড়।
“আমরা অহেতুক বল হারিয়েছিলাম, আর তখনই বিশ্বের সেরা ফুটবলারদের একজন দৃশ্যপটে আসে। আমরা দারুণ সব গোল হজম করছি।”
রেয়ালের জার্সিতে প্রায় ছয় মাস পর জালের দেখা পেলেন গিলের। এবারের লা লিগায় এই নিয়ে চারটি গোল হলো ২১ বছর বয়সী উইঙ্গারের।
দারুণ এই জয়ে লিগ টেবিলে শীর্ষস্থানের সঙ্গে ব্যবধানও কমিয়েছে রেয়াল মাদ্রিদ। ২৮ ম্যাচে ২১ জয় ও তিন ড্রয়ে ৬৬ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে রয়েছে তারা। এক ম্যাচ কম খেলা বার্সেলোনা ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে আছে চূড়ায়।
