০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

জাতীয় দলে ডাক পেয়ে বিশ্বাসই হচ্ছিল না জোঁ ভিক্তরের

ব্রাজিল দলে ডাক পাওয়ার খবর শোনার পর কী অনুভূতি হয়েছিল, সেটা তুলে ধরেছেন এই গোলরক্ষক।

জাতীয় দলে ডাক পেয়ে বিশ্বাসই হচ্ছিল না জোঁ ভিক্তরের
ব্রাজিল দলে প্রথমবার ডাক পাওয়া জোঁ ভিক্তর। ছবি: সিবিএফ।

স্পোর্টস ডেস্ক

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 09 Oct 2025, 01:46 AM

Updated : 26 Aug 2026, 02:26 PM

ব্রাজিল দলের এক কর্মকর্তার কাছ থেকে প্রথম বার্তাটি পেয়ে উড়িয়ে দেন জোঁ ভিক্তর। কিন্তু পরে যখন সত্যিই জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার কথা জানতে পারেন, ঘোরের মধ্যে চলে যান তিনি। বিশ্বাস-অবিশ্বাসের অনুভূতি কাটিয়ে উঠে এই গোলরক্ষক বললেন, তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন সত্যি হয়েছে।

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে চলতি মাসে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল। ম্যাচ দুটির জন্য ঘোষিত দলে শুরুতে ছিলেন না ভিক্তর। তার জন্য জাতীয় দলের দুয়ার খুলে যায় এদেরসনের চোটে।

প্রথমবার ব্রাজিল দলে ডাক পেয়ে আনন্দে আত্মহারা ২৯ বছর বয়সী ভিক্তর। সিবিএফ টিভিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তুলে ধরলেন তার অনুভূতির কথা।

“আমি খুবই খুশি, সৃষ্টিকর্তাকে অনেক ধন্যবাদ। ধীরে ধীরে ঘোর কাটছে; এখানে (জাতীয় দলে) আসতে পারা স্বপ্নের মতো ছিল এবং আজ সেটা সত্যি হতে চলেছে।”

গত অগাস্টে বতাফোগো ছেড়ে নটিংহ্যাম ফরেস্টে পাড়ি জমান ভিক্তর। প্রিমিয়ার লিগে নিউক্যাসল ইউনাইটেডের বিপক্ষে খেলতে টিম বাসে করে মাঠে যাচ্ছিলেন তিনি। ওই সময় তাকে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার খবরটি দেন ব্রাজিল দলের জেনারেল সুপারভাইজর সের্জিও জিমাইস। প্রথমে বিশ্বাসই করতে পারছিলেন না ভিক্তর। ভেবেছিলেন তার সঙ্গে মজা করা হচ্ছে।

ভিক্তরের এই সন্দেহ পরে আনন্দে রূপ নেয়, যখন তিনি জানতে পারেন সত্যিটা। ক্লাব সতীর্থ ইগো জেসুসের সঙ্গে উল্লাসে মেতে ওঠেন তিনি। জেসুসও আছেন ব্রাজিলের এশিয়া সফরের দলে।

“প্রতিটি দিনকে সুযোগ হিসেবে দেখব। এখানে থাকাটাই দারুণ একটা সুযোগ। অনুশীলনে এবং দৈনন্দিন জীবনে, আমার সেরাটা দেব। এই ম্যাচ দুটি কঠিন হবে। আমি নিশ্চিত, আমরা দুর্দান্ত পারফরম্যান্স উপহার দেব এবং আশা করি, যেকোনো উপায়ে দলকে সাহায্য করতে পারব।”

ফুটবল বিশ্বের সেরা কোচদের একজন কার্লো আনচেলত্তি এখন ব্রাজিল দলের দায়িত্বে। দলটির গোলকিপিং কোচ ব্রাজিলের তারকা গোলরক্ষক ক্লাওদিও তাফারেল, যিনি ১৯৯৪ বিশ্বকাপ জয়ী দলের সদস্য। এই দুইজনের সঙ্গে কাজ করার সুযোগকে অনেক বড় পাওয়া হিসেবে দেখছেন ভিক্তর।

“জাতীয় দলের সঙ্গে এখানে থাকা এবং তাফারেল ও আনচেলত্তির মতো দুর্দান্ত পেশাদারের কোচিংয়ে খেলা স্বপ্নের মতো। তারা জাতীয় দলের জন্য অসাধারণ ব্যক্তিত্ব, তাই এখানে থাকতে পারা আমার জন্য অমূল্য। আমি খুব খুশি ও সন্তুষ্ট।”

ব্রাজিলের হয়ে বয়সভিত্তিক পর্যায়েও খেলার সুযোগ হয়নি ভিক্তরের। এশিয়া সফরে তার অভিষেকের সম্ভাবনাও খুব একটা নেই। দলে আছেন এখন পর্যন্ত চার ম্যাচে ব্রাজিলের প্রতিনিধিত্ব করা আল নাস্র গোলরক্ষক বেন্তো। অভিষেকের অপেক্ষায় থাকা করিন্থিয়ান্সের গোলরক্ষক উগো সোসাকেও রেখেছেন আনচেলত্তি।