‘ব্রাজিলের বিপক্ষেও আন্ডারডগ ছিলাম’, ইংল্যান্ড ম্যাচ সামনে রেখে ওদেগোর
কোয়ার্টার-ফাইনালে ইংল্যান্ডকে সমীহ করলেও, নরওয়ের এই মিডফিল্ডার বললেন, সামর্থ্যের প্রমাণ তারা ইতোমধ্যে দিয়েছেন।
মায়ামির কোয়ার্টার-ফাইনালে অনেকের চোখে ‘ফেভারিট’ ইংল্যান্ড আর নরওয়ে ‘আন্ডারডগ।’ এ নিয়ে অবশ্য আপত্তি নেই মার্টিন ওদেগোরের। নিজেদের সামর্থ্যে আস্থা রেখে, নরওয়ে অধিনায়ক সবাইকে মনে করিয়ে দিলেন, বিশ্বকাপের রেকর্ড চ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকেও তারা আন্ডারডগ হয়েই হারিয়েছেন।
সেমি-ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আগামী ১২ জুলাই ৩টায় (এএম) মুখোমুখি হবে দল দুটি। আর্লিং হলান্ডের জোড়া গোলে ব্রাজিলকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার-ফাইনালে উঠেছে নরওয়ে।
১৯৬৬ সালে প্রথম ও সবশেষ বিশ্বকাপ জেতা ইংল্যান্ড খরা কাটাতে মুখিয়ে এবার। টমাস টুখেলের দলটি ছুটছেও দারুণ গতিতে। তবে, তাদের সমীহ করলেও, নিজেদের লক্ষ্য পূরণের প্রশ্নে দারুণ আত্মবিশ্বাসী ওদেগোর।
“অবশ্যই আমরা জানি, ইংল্যান্ডের মান কেমন। আমি তাদেরকে খুব ভালোভাবেই জানি। দুর্দান্ত সব খেলোয়াড়, বিশ্বমানের, সম্ভবত বিশ্বের সেরা দলগুলোর একটি। ম্যাচটা আমাদের জন্য কঠিন পরীক্ষা হবে।
“কিন্তু আমি মনে করি, ব্রাজিলের বেলায়ও বিষয়টা একই ছিল। আমরা আন্ডারডগ ছিলাম এবং আপনারা দেখেছেন, ফুটবলে যেকোনো কিছুই ঘটতে পারে। আর হ্যাঁ, আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। দেখা যাক কী হয় এবং ম্যাচটি খেলতে মুখিয়ে আছি।”
ক্লাব ক্যারিয়ারে ওদেগোর খেলেন আর্সেনালে। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের আরেক দল ম্যানচেস্টার সিটিতে খেলছেন হলান্ড। প্রতিপক্ষ সম্পর্কে জানাশোনা থাকার সুবিধা মায়ামির ম্যাচে কাজে লাগাতে চান ওদেগোর।
“এটা সত্যি যে, আমাদের অনেকে ইংল্যান্ডে খেলে। তাই, তাদেরকে আমরা ভালোভাবেই জানি। অবশ্যই, আমরা লিগে তাদের অনেকের বিপক্ষে খেলেছি, তাদেরকে জানি, কিন্তু আমাদের এখন ভাবতে হবে পুরো ইংল্যান্ড দলকে নিয়ে।
“ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে। সবসময় যেভাবে প্রতিপক্ষকে বিশ্লেষণ করি, সেভাবে তাদেরকেও বিশ্লেষণ করকে হবে এবং নিজেদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।”
ব্রাজিলের বিপক্ষে পাওয়া জয় থেকেও অনুপ্রেরণা নিচ্ছেন এই মিডফিল্ডার। দুর্দান্ত এই পথচলা তিনি টেনে নিতে চান, যতদূর সম্ভব।
“আমি মনে করি, ইতোমধ্যে আমরা বিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছি, আমরা কত ভালো দল এবং আগেও বলেছি, ফুটবলে যেকোনো কিছু সম্ভব। এমনকি, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে যদিও আমরা আবারও আন্ডারডগ, তবুও দেখা যাক কী হয়।
“ম্যাচটির জন্য ঠিকঠাক প্রস্তুতি নেওয়া যাক এবং একসাথে মুহূর্তটা এবং নিজেদের খেলাটা উপভোগ করি। এরপর দেখা যাবে, কী হয়।”
