চট্টগ্রাম থেকে থাইল্যান্ড, সুখকর যাত্রায় ভারতের জন্য প্রস্তুত আনিকা
থাইল্যান্ডের লিগের দল কাসেম বুন্ডিতের বিপক্ষে গোল পাওয়ায় সুইডেন প্রবাসী এই ফরোয়ার্ড এখন আরও আত্মবিশ্বাসী।
উইমেন’স সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের হ্যাটট্রিক শিরোপা জয়ের মিশনের উত্তাপ অনুভব করতে পারছেন আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী। সুইডেন প্রবাসী এই ফরোয়ার্ড নিজেকে প্রস্তুতও করছেন সেভাবে। ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠেয় আসরে সামর্থ্যের সবটুকু নিংড়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
সুইডেন থেকে ঢাকায় ফিরেই আনিকা রওনা দিয়েছিলেন চট্টগ্রামে। সেখানে কোরিয়ান ইপিজেডে সতীর্থদের সঙ্গে এক সপ্তাহ অনুশীলন করে দলের সাথে রওনা দেন থাইল্যান্ডে।
গত সোমবার দেশটির লিগের দল কাসেম বুন্ডিতের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে বাংলাদেশের ২-০ গোলের জয়ে একবার জালের দেখা পান তিনি। জাতীয় দলের হয়ে প্রথম গোল পাওয়াটা আনিকাকে করে তুলেছে আরও আত্মবিশ্বাসী।
“এখন পর্যন্ত যাত্রাটা সুখের। চট্টগ্রামে আমরা (প্রস্তুতি ক্যাম্প) শুরু করেছিলাম-আমি এক সপ্তাহ অনুশীলন করেছি। ভালো শুরু ছিল এবং এখন আমরা এখানে, থাইল্যান্ডে। এখানে খুব গরম, কিন্তু আমরা আবহাওয়ার সাথে মানিয়ে নিচ্ছি এবং দিন দিন উন্নতি করছি।”
“(প্রস্তুতি ম্যাচে) গোল পেয়ে আমি খুশি। তবে, অনেকটা পথ যাওয়ার বাকি, কিন্তু আমি আরও বেশি আত্মবিশ্বাসী এবং সাচ্ছ্বন্দ্যবোধ করছি। আশা করি, ভবিষ্যতে আরও বেশি গোল করতে পারব এবং ভালো ফল আনতে পারব।”
আগামী ২৫ মে গোয়াতে শুরু হবে দক্ষিণ এশিয়ার নারী ফুটবলের সর্বোচ্চ আসর। গত দুই আসরের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ উদ্বোধনী দিনে মালদ্বীপের বিপক্ষে খেলবে। ৩১ মে মুখোমুখি হবে রেকর্ড পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন ভারতের।
২০২২ সালে ভারতের জয়যাত্রা থামিয়ে প্রথম উৎসব করেছিল বাংলাদেশ। দুই বছর পরের আসরেও তারা ধরে রাখে সাফল্য।
গত মার্চে উইমেন’স এশিয়ান কাপ দিয়ে লাল-সবুজের জার্সিতে অভিষিক্ত আনিকাও অনুভব করছেন, তাদের ঘিরে প্রত্যাশার পারদ আরও চড়ছে। থাইল্যান্ডের গরমে সেই প্রত্যাশা পূরণের প্রস্তুতি জোরেশোরে চলছে, জানালেন ২০ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
“এখানকার আনুশীলনের সুবিধাদি দুর্দান্ত। অসাধারণ একটা মাঠ, ড্রেসিংরুম, আইসবাথ-সবকিছু পেয়েছি আমরা। আমি মনে করি, এটা আমাদের খুবই কাজে দিবে। এখানকার আবহাওয়া খুবই গরম, আমি মনে করি, একারণে ভারতে আরও ভালোভাবে মানিয়ে নিতে পারব আমরা।”
“প্রত্যাশা খুবই উঁচুতে। আমরা জিততে চাই এবং বাংলাদেশে কাপটা নিয়ে যেতে আমরা সর্বোচ্চটা দিয়ে চেষ্টা করব।”
