২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশ্বনাথকে হারিয়ে নতুন করে ‘নাম্বার নাইনের’ খোঁজে ডুলি

জামাল ভূঁইয়া, তপু বর্মনদের ছোটখাট চোট নিয়েও দুর্ভাবনা আছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচের।

বিশ্বনাথকে হারিয়ে নতুন করে ‘নাম্বার নাইনের’ খোঁজে ডুলি
জামাল-ফাহিমদের ছোটখাট চোট দুর্ভাবনা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ কোচ টমাস ডুলির। ছবি: বাফুফে

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 15 Sep 2026, 08:17 PM

Updated : 19 Sep 2026, 02:24 PM

দলে একজন নির্ভরযোগ্য নাম্বার নাইনের অভাব আগে থেকেই ছিল। বিশ্বনাথ ঘোষকে দিয়ে সে ঘাটতিটুকু পূরণের ভাবনা ছিল টমাস ডুলির। কিন্তু চোট বিশ্বনাথকে ছিটকে দেওয়ায় নতুন করে ভাবতে হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচকে। ডুলির অবশ্য দুর্ভাবনার শেষ নয় এখানেই। জামাল ভুঁইয়াসহ একাধিক খেলোয়াড়ের ছোটখাট চোটও বাড়িয়েছে তার দুঃশ্চিন্তা।

বিশেষ করে বিশ্বনাথকে হারানোটা বড় ধাক্কা হয়েই এসেছে ডুলির জন্য। মঙ্গলবার বসুন্ধরা কিংস অ্যারেনায় অনুশীলনের ফাঁকে নতুন ‘নাম্বার নাইনের’ খোঁজে নামার কথা জানিয়েছেন তিনি। এক্ষেত্রে রাকিব হোসেন, শেখ মোরসালিন বা শাহরিয়ার ইমনকে কাজে লাগানোর ভাবনাও আছে তার।

“আমার দৃষ্টিতে বিশ্বনাথ এমন একজন, যাকে আমি আক্রমণভাগে নামাতে পারি। কারণ সান মারিনোর বিপক্ষে ম্যাচে দেখেছেন, সে দ্বিতীয় গোলটিতে সহায়তা করেছিল এবং দুবার গোলরক্ষকের মুখোমুখি হয়ে গোল করার মতো সুযোগ তৈরি করেছিল। সে সবসময় প্রতিপক্ষের ওপর চাপ সৃষ্টি করে আসছিল; কিন্তু এখন সে আর চোটের কারণে দলে নেই।

“এখন আমাদের কাউকে খুঁজে বের করতে হবে। এমন কাউকে সেন্টার ফরওয়ার্ড হিসেবে বসাতে হবে যে আমাদের সবচেয়ে বেশি সাহায্য করতে পারবে। সে কে হবে, তা আমরা এখনও নিশ্চিত নই। আমার মাথায় কিছু ভাবনা আছে-রকিব, মোরসালিন বা ইমন হতে পারে। আমাদের দেখতে হবে কে দায়িত্ব নিয়ে এগিয়ে আসে।”

বিকল্প খুঁজে পেতে ডুলির হাতে বেশি সময় নেই। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ইন্দোনেশিয়ায় শুরু হবে ফিফা আসিয়ান কাপ। গ্রুপ পর্বে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলতে হবে। এ মুহূর্তে আবার জামাল, তপু বর্মন, ফয়সাল আহমেদ ফাহিমদের ছোটখাট চোট চিন্তা বাড়িয়েছে বাংলাদেশ কোচের।

“তপুর একটু সমস্যা হয়েছিল, তবে সেটা খুব গুরুতর কিছু নয়। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে তার সমস্যাগুলো কেটে গেছে, মানসিকভাবে সে সম্পূর্ণ মুক্ত এবং ভালোভাবে কাজ করতে পারছে। আশা করছি আগামী এক-দুই দিনের মধ্যেই তা হয়ে যাবে।

“এছাড়া জামালেরও হালকা চোট ছিল, পাসিংয়ের সময় সে সমস্যা অনুভব করেছিল। ফাহিমের ক্ষেত্রেও একই কথা, কিন্তু তাকে নামিয়ে শতভাগ শক্তিতে খেলানোর ঝুঁকি নেওয়ার আগে আমরা তাকে দুই-তিন দিনের বিশ্রাম দেওয়াটাই শ্রেয় মনে করেছি, যাতে সুস্থ হয়ে সে আবার আমাদের সঙ্গে শুরু করতে পারে।”