মানিকগঞ্জে সোনা চোরাচালানের দায়ে ৫ জনের যাবজ্জীবন
২০১৮ সালে ঢাকার ধানমন্ডির শংকর বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বাসে করে প্রায় ৪৪ কেজি সোনা পাচারের উদ্দেশে বেনাপোল যাচ্ছিলেন আসামিরা।
মানিকগঞ্জে সোনা চোরাচালান মামলায় পাঁচজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
বুধবার মানিকগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক জয়শ্রী সমদ্দার পাঁচ আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে জানান রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মথুর নাথ সরকার।
দণ্ডিতরা হলেন- সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার ইয়াহিয়া আমিন, যশোরের ঝিকরগাছার আমিনুর রহমান, ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডের জাহিদুল ইসলাম ও জহিুরুল ইসলাম এবং মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মনিরুজ্জামান রনি।
যাবজ্জীবনের পাশাপাশি তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা হয় রায়ে।
মামলার নথি থেকে জানান যায়, ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর ঢাকার ধানমন্ডির শংকর বাসস্ট্যান্ড থেকে একটি বাসে করে প্রায় ৪৪ কেজি সোনা পাচারের উদ্দেশে বেনাপোল যাচ্ছিলেন আসামিরা ।
খবর পেয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানা পুলিশের সহায়তায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের তরা এলাকায় চেকপোস্ট বসায় র্যাব-২।
এ সময় ওই বাস নেমে আসামিরা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে তাদের আটকের পর দেহ তল্লাশি করে ২২৭টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলা হলে তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা তদন্তকারী কর্মকর্তা। ১৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আদালত বুধবার পাঁচজনকে দোষী সাব্যস্ত করে রায় দেয়।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মথুর বলেন, “চোরাচালান মামলায় সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ায় আমরা সন্তুষ্ট।”
তবে এই রায়ে অসন্তোষ জানিয়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী নজরুল ইসলাম বাদশা বলেন, এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।
