২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮ আশ্বিন ১৪৩৩

কুড়িগ্রামে এক দফা দাবিতে সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষকদের মানববন্ধন

এন্ট্রি পদ নবম গ্রেড ধরে চার স্তরের একাডেমিক পদসোপান বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

Published : 21 Aug 2025, 03:22 PM

Updated : 26 Aug 2026, 01:37 PM

এন্ট্রি পদ নবম গ্রেড ধরে চার স্তরের একাডেমিক পদসোপান বাস্তবায়নের দাবিতে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন করেছে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের সামনে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় পরিবারের আয়োজনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় শিক্ষকরা বিভিন্ন দাবি সম্বলিত প্ল্যাকার্ড নিয়ে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র রায়, সহকারী শিক্ষক মো. আবু তৈয়ব, মো. শাহ্ আলম, রেজাউল ইসলাম, কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হক।

দাবির বিষয়ে বক্তারা বলেন, সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এন্ট্রি পদ নবম গ্রেড শিক্ষকদের দাবি নয়, অধিকার। কেননা ১৯৭৩ সালে প্রথম পে স্কেলে ষষ্ঠ গ্রেড/দ্বিতীয় শ্রেণি হিসেবে পাঁচটি পদ তৈরি হয়। ১৯৯৭ সাল অর্থাৎ পঞ্চম পে স্কেলের আগে এই পাঁচটি পদের মধ্যে সরকারি মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক পদটি বাদে বাকি চারটি পদকে সমসাময়িক সময়ে প্রথম শ্রেণির গেজেটেড মর্যাদা দেওয়া হয়। 

মাধ্যমিক শিক্ষকরা বলেন, অথচ তৎকালীন সময়ে সবগুলো পদের একই নিয়োগ যোগ্যতা (অনার্সসহ মাস্টার্স) হলেও সহকারী শিক্ষক পদটিকে দ্বিতীয় শ্রেণির নন-গেজেটেড মর্যাদা দেওয়া হয়। দুঃখের বিষয়, দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড মর্যাদা প্রদান করাও হয়নি। ১৯৯৭ সালের পর দীর্ঘ ১৫ বছর পর ২০১২ সালে সরকারি মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক পদটিকে গেজেটেড মর্যাদা দেওয়া হয়।

বক্তারা আরও বলেন, ১৯৮০ সালে বিসিএস (শিক্ষা-সাধারণ শিক্ষা) কম্পোজিশন ও ক্যাডার রুলস-১৯৮০ এর মাধ্যমে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ সালে বিসিএিস (সাধারণ শিক্ষা) নামে একটি বিসিএস (ক্যাডার) সৃষ্টি হয়। এই ক্যাডারের অন্তর্ভুক্ত দুটি শাখা। একটি হচ্ছে কলেজ, অন্যটি হচ্ছে বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখা। বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার অন্তর্ভুক্ত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। কলেজ ও বিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক পদসমূহকে আলাদা আলাদা বিন্যস্ত করতে বস্তুত এই দুটি শাখা তৈরি হয়। এক ক্যাডারের দুটি শাখায় শিক্ষক-কর্মকর্তার নিয়োগ যোগ্যতা (অনার্সসহ মাস্টার্স) একই হওয়ার পরেও সরকারি মাধ্যমিক সহকারী শিক্ষক পদটি দ্বিতীয় শ্রেণির গেজেটেড/দশম গ্রেড আর কলেজের প্রথমম শ্রেণির গেজেটেড/নবম গ্রেড। 

শিক্ষকরা বলেন, পদোন্নতি ছাড়া অনেক সহকারী শিক্ষককে অবসরে যেতে হয়। এজন্য তারা কলেজের মত চার স্তরের একাডেমিক পদসোপান চান।