‘মঈন খান মন্ত্রী হওয়ায় নরসিংদীবাসীর প্রত্যাশা বাড়ল’
দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে মঈন খানের কাছে বড় কিছু আশা করছেন নরসিংদীর মানুষ।
নরসিংদী-২ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল মঈন খান মন্ত্রী হওয়ায় নরসিংদীবাসীর আনন্দের পাশাপাশি উন্নয়ন নিয়ে প্রত্যাশা বেড়েছে।
বিশেষ করে রাস্তাঘাট, যোগাযোগ, শিক্ষা ও নাগরিক সেবার উন্নয়ন চান স্থানীয়রা।
শুক্রবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মঈন খান মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। এ খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নরসিংদীর বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ দেখা যায়। তারা মিষ্টি বিতরণ করে আনন্দ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়রা বলেন, মঈন খান একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক। এর আগে তিনি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। এবার মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পাওয়ায় নরসিংদীর উন্নয়ন আরও এগিয়ে যাবে বলে তারা আশা করছেন।
পলাশ বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল বলেন, “আবদুল মঈন খান মন্ত্রী হওয়ায় পলাশবাসী খুশি। তার মত অভিজ্ঞ ও দক্ষ একজন মানুষ মন্ত্রিসভায় থাকায় দেশের পাশাপাশি নরসিংদীরও উন্নয়ন হবে বলে আমরা আশা করি। তিনি মন্ত্রী হওয়ায় আমাদের প্রত্যাশা বেড়েছে।”
ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান আলম মোল্লা বলেন, “মঈন খানের হাতে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব যাওয়ায় নরসিংদীসহ সারা দেশের রাস্তাঘাট ও মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন হবে বলে আমরা আশা করি।”
তিনি বলেন, “মঈন খান বিগত দিনে রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে যেমন সামনের সারিতে ছিলেন, ঠিক একইভাবে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছায়াসঙ্গী হয়ে দেশকে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন বলে আমরা বিশ্বাস করি।”
নরসিংদী আন্তঃজেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি সারোয়ার হোসেন মৃধা বলেন, “মঈন খান মন্ত্রী হওয়া নরসিংদীবাসীর জন্য আনন্দের খবর। তিনি সুস্থ থেকে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করবেন- এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব মোস্তাফিজুর রহমান পাপন বলেন, “মঈন খান স্যারকে মন্ত্রী হিসেবে দেখতে চেয়েছিলাম। তিনি মন্ত্রী হওয়ায় আমরা খুব খুশি। তার কাছে আমাদের অনেক প্রত্যাশা।”
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলেন, মঈন খানের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কারণে তার কাছে এলাকার মানুষের প্রত্যাশাও বেশি। বিশেষ করে পলাশ ও নরসিংদীর যোগাযোগ, শিক্ষা, অবকাঠামো ও জীবনমান উন্নয়নে তিনি কাজ করবেন বলে আশা করছেন তারা।
আবদুল মঈন খান ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী, ২০০১ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত তথ্যমন্ত্রী এবং ২০০২ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিজ্ঞান ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
তিনি ১৯৯১, ১৯৯৬, মধ্যবর্তী নির্বাচন, ২০০১ ও ২০২৫ সালে নরসিংদী-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ সালের ডিসেম্বরে তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হন।
