শেরপুর-৩: জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের দাফন সম্পন্ন
তাকে শ্রীবরদী পৌরসভার পোড়া গড় মহল্লার বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান বাদলকে দাফন করা হয়েছে।
সোমবার বিকাল ৫টায় শ্রীবরদী পৌরসভার পোড়া গড় মহল্লার বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয় বলে তার ছোট ভাই মাসুদুর রহমান মাসুদ জানিয়েছেন।
শেরপুর জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি নুরুজ্জামান বাদলের প্রথম নামাজে জানাজা এর আগে বেলা ৩টায় শেরপুর পৌর ঈদগাহ মাঠ এবং শহীদ দারোগ আলী পৌর পার্কে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম জানাজায় ইমামতি করেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মাসুম।
জানাজায় জামায়াতের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডক্টর সামিউল হক ফারুকী, জেলা জামায়াতের আমির হাফিজুর রহমান, শেরপুর-১ সদর আসনের দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ রাশেদুল ইসলাম, শেরপুর-২ আসনের দলীয় সংসদ সদস্য প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া ভিপি, বিএনপি নেতা সিরাজুল ইসলাম, হযরত আলী, প্রয়াত জামায়াত নেতার ছোট ভাই মাসুদুর রহমান মাসুদ, একমাত্র ছেলে দশম শ্রেণীর ছাত্র নাজমুস শাকির, জামায়াত ও তার অঙ্গ সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা এবং বিভিন্ন শ্রেণী পেশার সর্বস্তরের জনসাধারণ অংশগ্রহণ করেন।
প্রথম জানাজার নামাজ শেষে লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সে করে জামায়াত নেতা নুরুজ্জামান বাদলের লাশ শ্রীবরদী উপজেলায় নিয়ে যাওয়া হয়। পরে বিকাল ৫টায় শ্রীবরদী সরকারি কলেজ মাঠে তার দ্বিতীয় জানাজা হয়।
শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫২ বছর। তিনি মা, স্ত্রী ও একমাত্র ছেলে সন্তান রেখে গেছেন।
তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনি রোগে ভুগছিলেন। মঙ্গলবার রাত ৩টার দিকে ময়মনসিংহের স্বদেশ হাসপাতালে বাদলের মৃত্যু হয়।
তার জানাজার নামাজের সময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
