বিমান দুর্ঘটনা: বোন চিরনিদ্রায়, ভাই লড়ছে মৃত্যুর সঙ্গে
স্বজনরা জানায়, দুর্ঘটনায় নাজিয়ার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্যাম্পাসে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ শিক্ষার্থী তাহিয়া তাবাসসুম নাজিয়া গভীর রাতে মারা গেছে। হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে তার ছোট ভাই নাফি।
নাজিয়া ও নাফি ভোলার দৌলতখান উপজেলার দক্ষিণ জয়নগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ছানকাজি হাওলাদার বাড়ির অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আশরাফুল হোসেন নিরবের ছেলেমেয়ে। তারা উত্তরার কামারপাড়া এলাকায় বসবাস করেন।
সোমবার দুপুরের এই দুর্ঘটনায় আহত হওয়ার পর নাজিয়া (১৩) ও তার ভাই ক্লাস ওয়ানের শিক্ষার্থী নাফিকে (৮) ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। রাত ৩টার দিকে সে মারা যায় বলে জানান আশরাফুলের পারিবারিক বন্ধু আনোয়ার হোসেন।
তার মৃত্যুর খবর পৌঁছানোর পর থেকে পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনদের কান্নায় ভারি হয়ে উঠেছে দক্ষিণ জয়নগর গ্রামের বাড়ি।
স্বজনরা জানায়, দুর্ঘটনায় নাজিয়ার শরীরের ৮০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল।
মঙ্গলবার দুপুরের পর উত্তরার কামার পাড়া এলাকায় নামাজে জানাজা শেষে নাদিয়াকে দাফন করা হয় বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
