নাটোরে ‘তেল দিতে দেরি’ হওয়ায় ফিলিং স্টেশনে ভাঙচুরের অভিযোগ
দোষীর শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তেল বিক্রি বন্ধ থাকবে বলে জানান ফিলিং স্টেশনের মালিক।
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার একটি ফিলিং স্টেশনে ‘তেল দিতে দেরি’ হওয়াকে কেন্দ্র করে ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনার পর তেল বিক্রি বন্ধ রাখা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে উপজেলার আহম্মদপুর এলাকার কানন ফিলিং স্টেশনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান নাটোর সদর থানার ওসি মো. মনসুর রহমান।
ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক ফজের আলী বলেন, সন্ধ্যায় প্রায় নয় হাজার লিটার ডিজেল আনার পর তা বিক্রি শুরু হয়। রাত দেড়টার দিকে কর্মচারীরা খাবার খেতে গেলে ট্রাকচালক আবদুল ওহাব তেল দেওয়ার দাবি করেন। তাকে অপেক্ষা করতে বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ক্যাশ রুম ও ব্যবস্থাপকের কক্ষে ভাঙচুর চালান। এতে কক্ষ দুটির জিনিসপত্র নষ্ট হয়।
ওই চালক তাকে লাঞ্ছিতও করেছেন বলে অভিযোগ করেন ব্যবস্থাপক।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ট্রাকচালক আবদুল ওহাব। তিনি বলেন, কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করার পরও তাকে তেল দেওয়া হচ্ছিল না।
তার অভিযোগ, পাম্প কর্তৃপক্ষ নিয়ম না মেনে অন্য একটি গাড়িকে আগে তেল দিচ্ছিল। তিনি এ নিয়ে প্রতিবাদ করেছেন, তবে ভাঙচুর করেননি।
ফিলিং স্টেশনের মালিক ধীরেন সাহা বলেন, বিষয়টি পুলিশ ও পেট্রলপাম্প মালিক সমিতিকে জানানো হয়েছে। দোষীর শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত তেল বিক্রি বন্ধ থাকবে।
ওসি মো. মনসুর রহমান বলেন, এখনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে বিষয়টি নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
