৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প স্থানে বসার সুযোগ দিতে হবে: জামায়াত আমির

“ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত অনেককেই বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদা দিতে হয়,” বলেন তিনি।

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের বিকল্প স্থানে বসার সুযোগ দিতে হবে: জামায়াত আমির

রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় বুধবার ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানের সময় সংঘর্ষের পর ঘটনাস্থলে যান জামায়াত আমির শফিকুর রহমান।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম নিউজ সার্ভিস

Published : 30 Sep 2026, 08:47 PM

Updated : 30 Sep 2026, 08:54 PM

সড়ক ও ফুটপাত থেকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করলেই সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব হবে না বলে মনে করেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।

তিনি বলেছেন, “তাদের জন্য উপযুক্ত বিকল্প স্থান নির্ধারণ করে সেখানে ব্যবসার সুযোগ দিতে হবে।”

বুধবার রাজধানীর মিরপুর-১০ নম্বর এলাকায় ফুটপাতে উচ্ছেদ অভিযানের সময় সংঘর্ষ, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার পর সেখানে গিয়ে সাংবাদিকদের সামনে কথা বলেন জামায়াত আমির।

তিনি বলেন, “রাস্তা যানবাহন চলাচলের জন্য এবং ফুটপাত মানুষের হাঁটার জন্য। কিন্তু আমাদের সামাজিক শৃঙ্খলার অভাবে ফুটপাত ও রাস্তায় ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষের চলাচলে দুর্ভোগ সৃষ্টি হচ্ছে এবং দুর্ঘটনাও ঘটছে।”

ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নিয়ে তিনি বলেন, “গ্রাম থেকে রাজধানীতে এসে অনেক মানুষ জীবিকার তাগিদে ক্ষুদ্র ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। তাদের অনেককেই বিভিন্ন পর্যায়ে চাঁদা দিতে হয়। এ পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে তাদের জন্য নির্ধারিত স্থানে ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করা প্রয়োজন।

“আমরা নির্বাচনের আগে বলেছিলাম, এই সমস্যার টেকসই ও সমন্বিত সমাধান করতে হবে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য নির্দিষ্ট জায়গা করে দিতে হবে। সেখানে তারা ব্যবসা করবেন, সিটি করপোরেশন যৌক্তিক হারে ট্যাক্স পাবে, কিন্তু কোনো ধরনের চাঁদাবাজি চলবে না।”

মিরপুরে অভিযানের সময় সংঘর্ষের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “দখলদারি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। দখলদারি, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, মো. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি ফখরুদ্দিন মানিকও এসময় উপস্থিত ছিলেন।