অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগের আহ্বান কুয়েতকে
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ‘প্রতিরক্ষা, প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সাইবার নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্প্রসারণে’ সম্মত হয়েছে উভয়পক্ষ।
বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড) ও হাই-টেক পার্কে বিনিয়োগ করতে কুয়েতি বিনিয়োগকারীদের আহ্বান জানিয়েছে সরকার।
রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ঢাকায় বাংলাদেশ–কুয়েতের মধ্যে অনুষ্ঠিত প্রথম রাজনৈতিক সংলাপে এই আহ্বান জানানো হয়।
সংলাপে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (দ্বিপাক্ষিক) মো. নাজরুল ইসলাম এবং কুয়েতের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামীহ ইসা জোহার হায়াত নিজেদের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, উভয়পক্ষ ‘প্রতিরক্ষা, প্রশিক্ষণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও সাইবার নিরাপত্তা সহযোগিতা সম্প্রসারণে’ সম্মত হয় এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে জ্বালানি, অবকাঠামো, আইসিটি, খাদ্য নিরাপত্তা ও হালাল খাতকে অগ্রাধিকার দেয়।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ’ পরিবেশে এ সংলাপে দুই দেশ রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, প্রতিরক্ষা, জনশক্তি, উন্নয়ন ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদারে একমত হয়। সিদ্ধান্ত হয়, এ সংলাপ প্রতি দুই বছর অন্তর ঢাকা ও কুয়েতে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হবে।
“দুই দেশ কুয়েত ফান্ডের সহায়তায় চলমান প্রকল্পে সন্তুষ্টি প্রকাশ করে এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো ও বিমান সংযোগে সহযোগিতা বৃদ্ধির অঙ্গীকার করে। শিক্ষা ও সংস্কৃতিতেও সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে মতৈক্য হয়।”
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটে কুয়েতের মানবিক সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানায় এবং তাদের প্রত্যাবাসন ইস্যুতে একসাথে কাজের প্রত্যয় ব্যক্ত করে। উভয় দেশ জাতিসংঘ ও ওআইসির মত বহুপক্ষীয় ফোরামে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
সংলাপ শেষে একটি যৌথ সংবাদ বিবৃতি দেওয়া হয়। সফরকালে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন এবং সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কুয়েতের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহার হায়াত।
