টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ পাঁচে কনওয়ে
ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের বিপক্ষে চলমান ত্রিদেশীয় সিরিজে ডেভন কনওয়ের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের প্রতিফলন পড়েছে র্যাঙ্কিংয়ে। টি-টোয়েন্টি ব্যাটসম্যানদের তালিকায় শীর্ষ পাঁচে উঠেছেন নিউ জিল্যান্ডের বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান।
ছেলেদের র্যাঙ্কিংয়ের সাপ্তাহিক হালনাগাদ বুধবার প্রকাশ করে বিশ্ব ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্তা সংস্থা।
দুই ধাপ এগিয়ে অ্যারন ফিঞ্চ ও দাভিদ মালানকে পেছনে ফেলে পাঁচ নম্বরে আছেন কনওয়ে।
পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩৬ রানের ইনিংস দিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করা কনওয়ে পরের ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলেন ৭০ রানের অপরাজিত ইনিংস। এরপর পাকিস্তানের বিপক্ষে করেন অপরাজিত ৪৯।
৩১ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান বুধবার বাংলাদেশের বিপক্ষে আবারও করেন ফিফটি। এই ম্যাচের হিসাব যদিও র্যাঙ্কিংয়ে আসেনি। চার ম্যাচে ১০৯.৫০ গড় আর ১২৭.৩২ স্ট্রাইক রেটে এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরার তিনি।
কনওয়ের রেটিং পয়েন্ট এখন ৭৬০। ৭৭৭ পয়েন্ট নিয়ে চারে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার এইডেন মারক্রাম। তার মতো শীর্ষ তিনে জায়গা ধরে রেখেছেন মোহাম্মদ রিজওয়ান, সূর্যকুমার যাদব ও বাবর আজম।
রিজওয়ান ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করেন অপরাজিত ৭৮ রানের ইনিংস দিয়ে। পরের দুই ম্যাচে যদিও ভালো করতে পারেননি পাকিস্তানের এই কিপার-ব্যাটসম্যান। দুইয়ে থাকা ভারতের সূর্যকুমারের (৮৩৮) সঙ্গে রিজওয়ানের (৮৫৩) পয়েন্টের ব্যবধান কমে দাঁড়িয়েছে ১৫তে।
বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে ইংল্যান্ডের দুই পেসার মার্ক উড ও রিস টপলির। তিন ধাপ এগিয়ে ক্যারিয়ার সেরা ৬৪৬ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে টপলি আছেন ১১ নম্বরে।
উড ১৪ ধাপ এগিয়ে ১৮ নম্বরে আছেন। চোট কাটিয়ে ফিরে পাকিস্তানের বিপক্ষে সাত ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে তিনি নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। পরে গত রোববার পার্থে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে তার প্রাপ্তি ছিল ৩৪ রানে ৩টি।
আর পার্থে ২ উইকেট নেওয়া টপলি এই বছর টি-টোয়েন্টিতে ইংল্যান্ডের সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি।
টি-টোয়েন্টি বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে আগের মতো শীর্ষে আছেন অস্ট্রেলিয়ান পেসার জশ হেইজেলউড। অলরাউন্ডারদের তালিকায় শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন আফগানিস্তানের মোহাম্মদ নবি।
ঘরের মাঠে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে ব্যর্থতার খোলসে বন্দি থাকা শিখর ধাওয়ান এই সংস্করণে ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়েছেন। এই সিরিজে ভারতকে নেতৃত্ব দেওয়া বাঁহাতি ওপেনার ১১ থেকে ১৭ নম্বরে নেমে গেছেন। দলের ২-১ ব্যবধানে জেতা সিরিজে তিন ম্যাচে তিনি করেন মাত্র ২৫ রান।
সিরিজটিতে না খেলা বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাও পিছিয়েছেন। কোহলি পাঁচ থেকে সাতে, রোহিত ছয় থেকে নবম স্থানে নেমে গেছেন।
ওই সিরিজে বাজে পারফরম্যান্সে এক ধাপ পিছিয়ে চারে আছেন দক্ষিণ আফ্রিকার কুইন্টন ডি কক। এই সুযোগে দুই নম্বরে উঠেছেন পাকিস্তানের ইমাম-উল-হক।
দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে র্যাঙ্কিংয়ে বড় লাফ দিয়েছেন শ্রেয়াস আইয়ার। ৫৭ থেকে ৩৩ নম্বরে উঠে এসেছেন ভারতের এই ব্যাটসম্যান। তিন ম্যাচে একটি করে সেঞ্চুরি ও ফিফটিতে ১৯১ গড়ে ১৯১ রান করে সিরিজের সর্বোচ্চ স্কোরার ছিলেন তিনি।
বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে সাত ধাপ এগিয়ে ২৫ নম্বরে আছেন ভারতের কুলদিপ যাদব। সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে ১৮ রানে ৪টিসহ তিন ম্যাচে ৬ উইকেট নেন বাঁহাতি এই রিস্ট স্পিনার।
ওয়ানডে ব্যাটসম্যানদের র্যাঙ্কিংয়ে বাবর আজম, বোলারদের তালিকায় ট্রেন্ট বোল্ট ও অলরাউন্ডার তালিকায় সাকিব আল হাসান আগের মতো শীর্ষে আছেন।
