দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের ‘ক্ষমতায়নে’ রবির স্মার্ট ছড়ি বিতরণ
“বিশ্ব সাদাছড়ি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে নেওয়া এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, চলাচল এবং স্বনির্ভরতা বাড়াতে উদ্ভাবনী সহায়ক প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া।”
ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে স্মার্ট ছড়ি বিতরণ করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে রবি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাজধানীতে রবির কর্পোরেট অফিসে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য স্মার্ট ছড়ি বিতরণ করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “বিশ্ব সাদাছড়ি দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে নেওয়া এ উদ্যোগের উদ্দেশ্য হল দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, চলাচল এবং স্বনির্ভরতা বাড়াতে উদ্ভাবনী সহায়ক প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া।”
রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম, ডাইরেক্টর, পাবলিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি শরীফ শাহ্ জামাল রাজ এবং দৃষ্টি টেকনোলজিস লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিদওয়ান হোসেনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দৃষ্টি টেকনোলজিসের উদ্ভাবিত ‘আভাস স্মার্ট কেইন’-এ রয়েছে সোনারনির্ভর প্রতিবন্ধকতা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি, হ্যাপটিক ফিডব্যাক এবং শ্রবণযোগ্য সতর্ক সংকেত, যা ব্যবহারকারীদের নিরাপদ ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে চলাচলে সহায়তা করে।
“বাংলাদেশে প্রায় ৪০ লাখ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষের বসবাস, তাদের অনেকেই প্রতিনয়ত চলাচল, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানে নানা প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হন। রবির এই উদ্যোগের লক্ষ্য হল প্রয়োজনীয় সহায়ক প্রযুক্তি তাদের নাগালে এনে এই প্রতিবন্ধকতা দূর করা।”
রবির চিফ কর্পোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম অনুষ্ঠানে বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, উদ্ভাবন সবসময়ই মানুষের কল্যাণে ব্যবহার হওয়া উচিত। স্মার্ট কেইন উদ্যোগ আমাদের সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তব প্রতিফলন, যেখানে উদ্ভাবনকে কাজে লাগিয়ে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব। এই প্রযুক্তি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বাড়িয়ে তাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করবে।”
রবি জানিয়েছে, স্মার্ট কেইন বিতরণ কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে সাতটি অংশীদার সংস্থার সহযোগিতায়। এগুলো হল ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল, ভিজ্যুয়ালি ইমপেয়ার্ড পিপলস সোসাইটি (ভিআইপিএস), রিয়েলভিউ, ব্লাইন্ড এডুকেশন অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (বিইআরডিও), ডোরস অব ইনক্লুসিভ সোসাইটি (ডিআইএস), নহর ইনিশিয়েটিভস এবং স্পর্শ ফাউন্ডেশন।
