মাইলস্টোনে উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত: আহতদের বহনে মেট্রোরেলে বগি বরাদ্দ
নারী বগির পাশের বগিটি আহতদের আনা -নেওয়ার জন্য সংরক্ষণ থাকবে, বলছে পুলিশ সদর দপ্তর
ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বিমান বাহিনীর উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় আহতদের বহনের জন্য মেট্রোরেলে বগি সংরক্ষণ রাখার কথা জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জানানো হয়, মেট্রোরেলের নারী বগির পাশের বগি আহতদের বহনের জন্য সংরক্ষণ থাকবে।
এদিকে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী সংস্থা— ডিএমটিসিএল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, বগি বরাদ্দের পাশাপাশি মেট্রোরেলের ডিপোর ভেতর দিয়ে আহতদের বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আর মেট্রোরেলের পরিবহন পুলের গাড়িগুলো আহতদের পরিবহনের সুবিধার্থে রাখা হয়েছে মাইলস্টোন স্কুলসংলগ্ন দিয়াবাড়ি গোলচত্বরের পাশে।উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনায় আহত অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থীকে এরই মধ্যে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের বেশির ভাগই দগ্ধ বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
ঢাকার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভেতরে সোমবার বিমান বাহিনীর একটি জঙ্গি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়; দগ্ধ হওয়াসহ নানাভাবে আহত হন দেড় শতাধিক মানুষ।
আন্তঃবাহিনীর জনসংযোগ পরিদপ্তর- আইএসপিআর বলছে, বিমান বাহিনীর ‘এফ-৭ বিজিআই’ উড়োজাহাজটি সোমবার দুপুরে উড্ডয়নের ১২ মিনিটের মাথায় বিধ্বস্ত হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জহিরুল নামে এক স্থানীয় এক বাসিন্দা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমার কাছে মনে হয়েছে, উড়োজাহাজটা মাঠে আছড়ে পড়ে। তারপর ছেঁচড়ে ভবনে গিয়ে ধাক্কা খায়। সেখানেই আগুন ধরে যায়।”
হায়দার আলী ভবন নামের ওই দুই তলা অ্যাকাডেমিক ভবনে ইংরেজি মাধ্যমের ক্লাস থ্রি থেকে এইটের শিক্ষার্থীদের ক্লাস হত। স্কুল ছুটির সময় হওয়ায় অনেক অভিভাবকও ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন।
বিধ্বস্ত হওয়ার পরপরই উড়োজাহাজটিতে আগুন ধরে যায়। অনেক দূর থেকেও সেখানে ধোঁয়া উঠতে দেখা যায়। জ্বলন্ত উড়োজাহাজটির আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় ফায়ার সার্ভিসের নয়টি ইউনিট।
মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের জনসংযোগ কর্মকর্তা শাহ বুলবুল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ওই ভবনে বাচ্চাদের ক্লাস চলছিল। আগুনে ভবন থেকে কেউ বের হতে পারেনি। অনেকেই সেখানে দগ্ধ হন।”
