হেরোইনের মামলায় দুই জনের যাবজ্জীবন, নারী খালাস
দুই আসামিকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তাদের তিন মাস সশ্রম কারাভোগ করতে হবে।
সাত বছর আগে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জ এলাকা থেকে হেরোইন উদ্ধারের মামলায় দুই আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।
ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী সোমবার এ রায় দেন।
সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটর জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) বলেন, "দণ্ডের পাশাপাশি দুই আসামি ইমরান ও রবিনকে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে তাদের তিন মাস সশ্রম কারাভোগ করতে হবে।"
তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস পেয়েছেন সানজিদা নামের এক নারী।
আসামিদের উপস্থিতিতে রায় ঘোষণা করেন বিচারক। রায় শেষে সাজা পরোয়ানা দিয়ে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন আদালতের বেঞ্চ সহকারী জহিরুল ইসলাম।
মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ২৩ জানুয়ারি রাত ১০ টার দিকে যাত্রাবাড়ীর দয়াগঞ্জ এলাকায় হেরোইন বিক্রি হচ্ছে বলে খবর আসে পুলিশের কাছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে ইমরান ও রবিনকে আটক করে। আর বেবি ও সানজিদা নামে দুই মাদক কারবারি পালিয়ে যায়। সে সময় ইমরান ও রবিনের কাছ থেকে ১১৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় ওইদিনই যাত্রাবাড়ী থানার এসআই বিল্লাল হোসেন জনি মামলা করেন। ওই মামলাটি তদন্ত করে একই বছরের ২৩ এপ্রিল ইমরান, রবিন ও সানজিদাকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র জমা দেন যাত্রাবাড়ী থানার এসআই মুকিত হাসান।
তবে বেবির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা না পাওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। ২০১৯ সালের ২৭ জুন তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হয়। মামলার বিচার চলাকালে আদালত ৫ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন।
আসামিদের আত্মপক্ষ শুনানি, যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে এদিন মামলার রায় হল।
