প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন নৌ কমান্ডারের সাক্ষাৎ, আলোচনায় যৌথ মহড়া
মঙ্গলবার সকালে তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসেন স্টিফেন টি কোহলার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবহরের কমান্ডার অ্যাডমিরাল স্টিফেন টি কোহলার।
এ সময় ‘জেনারেল সিকিউরিটি অব মিলিটারি ইনফরমেশন এগ্রিমেন্ট (জিএসওএমআইএ), যৌথ মহড়াসহ নানা বিষয়ে আলোচনা করেন তারা।
মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই সাক্ষাৎ হয়েছে তথ্যে দিয়ে তার উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বলেন, “সাক্ষাতে জিএসওএমআইএ নিয়ে দুই দেশের পারস্পরিক বোঝাপড়া ও এর অগ্রগতি, মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের সক্ষমতা ও অবদান নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী ১৯৯১ সালে বাংলাদেশে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড়ের পর যুক্তরাষ্ট্র পরিচালিত অপারেশন সি এঞ্জেলস-এর কথা স্মরণ করেন।”
মঙ্গলবার সকালে তিন দিনের সফরে ঢাকায় আসেন স্টিফেন টি কোহলার। এই সফরে তিনি ২২ সদস্যের একটি নৌ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
উপ প্রেস সচিব বলেন, “সাক্ষাতে মার্কিন কমান্ডার বিভিন্ন নৌ মহড়ায় বাংলাদেশের অংশগ্রহণের বিষয়টি তুলে ধরেছেন এবং তিনি জানিয়েছেন, আগামী নভেম্বরে ‘কোঅপারেশন অ্যফ্লোট রিডিনেস অ্যান্ড ট্রেনিং (সিএআরএটি)’ মহড়া বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে।”
মার্কিন নৌ কমান্ডার সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত মহড়া ‘সি ভিশন এক্সারসাইজ’-এ বাংলাদেশের অংশগ্রহণের কথা স্মরণ করেন। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, ভবিষ্যতে নিয়মিতভাবে অনুষ্ঠিত ‘রিম অব দ্য প্যাসিফিক (আরআইএমপিএসি)’ মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে বাংলাদেশ অংশগ্রহণ করবে।
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ অধিক গুরুত্ব দেয়। যুগোপযোগী ও বিস্তৃত সহযোগিতার মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরো গভীর করার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।
জবাবে স্টিফেন টি কোহলার বলেন, “বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র একসঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে অনেক সুযোগ রয়েছে। ভবিষ্যতে দুই দেশের সম্পর্ক আরো এগিয়ে যাবে।”
তিনি আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।
বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামছুল ইসলাম, ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উত্তর আমেরিকা অনুবিভাগের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
