আন্দোলনে ড্রোনে নজরদারি: পুলিশ কর্মকর্তা ইশতিয়াক কারাগারে
রাঙামাটিতে গ্রেপ্তারের পর তাকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইশতিয়াক আহমেদকে কারাগারে পাঠিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ট্রাইব্যুনাল এ আদেশ দেয়।
পরে আদেশের বিষয়টি সাংবাদিকদের জানান এ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর আব্দুল্লাহ আল নোমান।
পুলিশ কর্মকর্তা ইশতিয়াক বেতবুনিয়ায় পুলিশ স্পেশালাইজড ট্রেনিং স্কুলে (পিএসটিএস) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। রোববার তাকে রাঙামাটিতে গ্রেপ্তার করার তথ্য দেন নোমান।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ড্রোন উড়িয়ে নজরদারি করা হত। আন্দোলনকালে ছাত্র-জনতার অবস্থান সনাক্ত করে সেই তথ্য র্যাব, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও আওয়ামী লীগ ’ক্যাডারদের’ দিয়ে তাদের ‘হত্যা ও নির্যাতন’ চালাতে সহায়তা করতেন কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইমের (সিটিটিসি) সাবেক এডিসি ও সাইবার ফরেনসিকের প্রধান ইশতিয়াক আহমেদ।
তিনি বলেন, এর আগে তার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। ওই পরোয়ানামূলে তাকে রাঙামাটি থেকে রোববার গ্রেপ্তার করে মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। পরে আদালত কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়।
