এক্সপ্রেসওয়েতে লাশ: বাসচালকসহ ৩ জন আটক, রহস্য উদঘাটনের দাবি পুলিশের
ওই ঘটনায় তিনজনকে হেফাজতে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পুলিশের গুলশান বিভাগের এক কর্মকর্তা।
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে মুখে টেপ মারা অবস্থায় ইসমাইল হোসেন নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধারের ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ।
শনিবার রাতে ডিএমপির গণমাধ্যম ও জনসংযোগ বিভাগ থেকে পাঠানো এক বার্তায় এমন দাবি করে কয়েকজনকে আটকের কথা বলা হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে রোববার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানানোর কথা বলছে পুলিশ।
তবে পুলিশের গুলশান বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সোহেল রানা নামে এক বাসচালক, সহকারী মনির ও সুপারভাইজার সাজু। এদের একজনকে র্যাব ও দুজনকে পুলিশ হেফাজতে নিয়েছে।
ওই কর্মকর্তার ভাষ্য, “আমরা তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছি, ঘটনার বিস্তারিত জানার চেষ্টা করছি।”
শনিবার রাতে র্যাব-১ এক বার্তায় জানিয়েছে, বাসচালক সোহেল রানাকে মহাখালী থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি ‘প্রধান সন্দেহভাজন’।
“হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রাজ ক্লাসিক নামে একটি বাস জব্দ করা হয়েছে।”
বনানী থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা তদন্তে নেমে একাধিক গাড়ি শনাক্ত করেছিলাম। সেই সূত্রে গাড়ি জব্দসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের অভিযান এখনো চলছে।”
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে থেকে শুক্রবার সকালে নাম না জানা এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তখন মরদেহের মুখে টেপ মারা ছিল, পরনে ছিল অটোরিকশা চালকদের ইউনিফর্মের মত নীল রঙের শার্ট আর লুঙ্গি।
পরে তার আঙুলের ছাপ নিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে পুলিশ জানতে পারে, ৫০ বছর বয়সি ওই ব্যক্তির নাম ইসমাইল হোসেন। তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জালাল উদ্দিনের ছেলে।
শনিবার পরিবারের তরফ থেকে বলা হয়, মেয়ের বিয়ের জন্য জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে গ্রামের বাড়ি জামালপুর থেকে গাজীপুরে ফিরছিলেন ইসমাইল। সেই টাকা ‘খোয়া গেছে’ বলে জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্যরা।
