‘হাসিনাকে ধাওয়া করলাম, ব্যাপক আনন্দে আছি’
“তাকে তো আর পাওয়া যাবে না, ভাবলাম তার মিমিক্রির সঙ্গে ছবি তুলি,” বলেন একজন।
পর্দায় দেখা গেল- শেখ হাসিনা দৌড়ে পালাচ্ছেন; ভেসে উঠল ‘হাসিনা পালায় না’ লেখা।
পর্দার ঠিক সামনে রাখা হয়েছে ট্রেডমিল। সেখানে একজনের পর একজন দৌড়াচ্ছে। তারা বলছেন, ‘ধর, ধর, ভোট চোর হাসিনাকে ধর’।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এ লাইভ শো আয়োজন করা হয়েছে, যার নাম দেওয়া হয়েছে ‘স্বৈরাচার খুনী শেখ হাসিনাসহ তার দোসরদের শায়েস্তা করুন’।
এই গেম শোর ঠিক পাশেই স্থাপন করা হয়েছে শেখ হাসিনার একটি মিমিক্রি। সেই মিমিক্রির সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা গেল অনেককে।
সেখানে ট্রেডমিলে দৌড়ানো মাওলানা মোহাম্মদ জুবায়ের বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “হাসিনাকে ধাওয়া করলাম। ব্যাপক আনন্দে আছি। আগের ৫ অগাস্টে ধাওয়া করতে চেয়েছিলাম, তার আগেই পালিয়ে গেছিল। তাই দইয়ের স্বাদ ঘোলে মেটানো।”
শেখ হাসিনার মিমিক্রির পাশে ছবি তুলছিলেন রাজধানীর একটি কলেজের শিক্ষার্থী ফাহমিদ হোসেন।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শেখ হাসিনা দম্ভ করে বলেছিল, ‘শেখ হাসিনা পালায় না’। এখন সে ঠিকই পালিয়ে গেছে।
“তাকে তো আর পাওয়া যাবে না, ভাবলাম তার মিমিক্রির সঙ্গে ছবি তুলি।”
গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে দিনভর নানা আয়োজন করা হয়েছে।
বেলা ১২টা ১০ মিনিটে সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠীর পরিবেশনা দিয়ে শুরু হয়েছে জুলাই ৩৬ উদযাপনের অনুষ্ঠান। সেখানে পর্যায়ক্রমে ব্যান্ডদল আর্টসেল, ওয়ারফেইজ, শূন্য’র গান পরিবেশন করার কথা রয়েছে। এছাড়া জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ, স্পেশাল ড্রোন ড্রামাসহ নানা আয়োজন হওয়ার কথা।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালে ৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা সরকারের টানা দেড় দশকের শাসনের ইতি ঘটে। দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে দেশে সরকারি ছুটি পালিত হচ্ছে।
