২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাস রয়েছে। এর কোনো পিতার প্রয়োজন ছিল না।”
চার বছর ধরে চলা ইউক্রেইন যুদ্ধ অবসান নিয়ে ট্রাম্প আশার কথা শোনালেও বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা।
গাজার দিকে রওনা হওয়া ‘গ্লোবাল ফ্লোটিলা সুমুদ’ কেবল সহায়তা বহনকারী নৌবহর নয়—এটি আমাদের সময়ের নৈতিক পরীক্ষার প্রতীক। ধর্মীয় বিভাজনের বাইরে, এই বৈশ্বিক সংহতি দেখিয়ে দিয়েছে—গাজার মুক্তি মানে মানবতার মুক্তি।
গাজায় দুই বছর ধরে চলা ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৬৫ হাজার ছাড়িয়েছে। ধ্বংসস্তূপে চাপা অসংখ্য মরদেহ উদ্ধার হয়নি এখনও। বেসামরিক নাগরিকদের জন্য পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে প্রতিদিন।
গাজায় বর্তমানে প্রায় ২৬ হাজার শিশু তীব্র অপুষ্টিতে ভুগছে, যার মধ্যে গাজা শহরেই রয়েছে ১০ হাজারের বেশি শিশু। মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে ইউনিসেফের মুখপাত্র টেস ইনগ্রাম।
ইন্টিগ্রেটেড ফুড সিকিউরিটি ফেজ ক্লাসিফিকেশন এর মূল্যায়নে গাজার পাঁচ লাখ মানুষ, অর্থাৎ, এক-চতুর্থাংশ ফিলিস্তিনি দুর্ভিক্ষে ভুগছে।
আইপিসি বলছে, গাজার ৫ লাখের বেশি মানুষ বর্তমানে অনাহারে চরম দারিদ্র্য আর মৃত্যু ঝুঁকির মধ্যে বসবাস করছে।
ছেলের জন্মদিনে ম্যাডোনা লিখেছিলেন, “গাজায় যদি নির্দোষ শিশুদের বাঁচানো যেত, তবে সেটাই হত মা হিসেবে সন্তানকে দেওয়া আমার সবচেয়ে বড় উপহার।”