২৩ জুলাই ২০২৬, ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
“আমাদের অগ্রাধিকার ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে দ্রুত জরুরি সহায়তা পৌঁছে দিয়ে তাদের তাৎক্ষণিক প্রয়োজন মেটানো,” বলেন আইওএম বাংলাদেশের চিফ অব মিশন লরা টম বনদ।
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) মঙ্গলবার এক যৌথ বিবৃতিতে জানায়, ওই দুর্ঘটনায় এখনো বাংলাদেশিসহ প্রায় ২৫০ জন মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।
ট্রলারটি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের টেকনাফ উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করে মালয়েশিয়া যাচ্ছিল। পথে আন্দামান সাগরে প্রচণ্ড বাতাস, উত্তাল ঢেউয়ের কারণে অতিরিক্ত যাত্রীবোঝাই ট্রলারটি ডুবে যায়।
অবৈধভাবে লিবিয়ায় আসার পর বিভিন্ন চক্রের কাছে জিম্মি হওয়া, মুক্তিপণের জন্য শারীরিক নির্যাতনের শিকার হওয়া, খাদ্য ও পানির অভাব এবং দেশে জমি-জমা বিক্রির কথা তারা রাষ্ট্রদূতকে বলেন।
সিআইইউয়ের স্কুল অব ল এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা— আইওএম এ সেমিনার আয়োজন করে।
তারা ত্রিপোলির তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটকা ছিলেন।
বিশ্বের অন্যতম ঝুঁকিপূর্ণ এ নৌপথে এক দশকে মারা গেছেন বা নিখোঁজ হয়েছেন ৩,৪০০ জনের বেশি মানুষ।
“আমরা বিশ্বাস করি এই লাউঞ্জ তাদের ভ্রমণকে সহজ করবে,” বলেন প্রধান উপদেষ্টা।