অস্ট্রেলিয়ায় ল্যাবের কয়েকশ' মানুষের কোভিড পরীক্ষার ভুল ফল

অস্ট্রেলিয়ায় সিডনির একটি ল্যাব থেকে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুল রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে কয়েকশ’ মানুষকে। এই মানুষদেরকে দেওয়া হয়েছে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ‘নেগেটিভ’ ফল, যদিও আদতে তারা ছিলেন করোনাভাইরাস ‘পজিটিভ’।

নিউজ ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 28 Dec 2021, 12:05 PM
Updated : 28 Dec 2021, 12:05 PM

বড়দিনের সময় এ ঘটনা ঘটেছে। বলা হচ্ছে, কম্পিউটারে ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ত্রুটির কারণে এমন হয়েছে। বিবিসি জানায়, ল্যাবটির নাম সিডপ্যাথ। ভুলের জন্য মঙ্গলবার তারা ক্ষমা চেয়ে বিবৃতি দিয়েছে।

করোনাভাইরাসের অতি সংক্রামক নতুন ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হওয়ার পর নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যে সংক্রমণ বাড়ছে। তার মধ্যেই ল্যাবের পরীক্ষায় এমন ভুল রিপোর্ট এল।

ক্ষমা চেয়ে দ্য সিডপ্যাথ বলেছে, এত বেশি সংখ্যক মানুষের কোভিড পরীক্ষা করতে হয়েছে যে এতে কর্মীদের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়েছে। সে কারণে মোট ৮৮৬ জন মানুষের কোভিড পরীক্ষার ভুল ফল এসেছে।

এ সপ্তাহের শুরুর দিকে ল্যাবটি প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছিল যে, বড়দিনে তারা ৪০০ মানুষকে ভুল রিপোর্ট দিয়েছে। এই মানুষদেরকে বলা হয়েছিল, তারা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত নন। তবে পরেরদিনই ল্যাবরেটরি তাদের ভুল বুঝতে পেরে বিষয়টি জানায়।

কিন্তু আরও বড় ভুলটি ধরা পড়ে তখন, যখন সিডপ্যাথ আবার পরে জানতে পারে যে, আরও কয়েক শ’ মানুষকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা পুরোপুরি সম্পন্ন হওয়ার আগেই নেগেটিভ রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার সিডপ্যাথ বলেছে, তারা যাদেরকে করোনাভাইরাস নেগেটিভ ফল দিয়েছে, তার মধ্যে ৪৮৬ জনের ফল আসলে পজিটিভ। ল্যাবটি পরে একটি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, বাড়তি কাজের চাপ সামলাতে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার পরিবর্তে তারা এখন হাতে কাজ করছে।

তারা আরও বলেছে, ডাটা প্রসেসিং এররের কারণে করোনাভাইরাস পরীক্ষার ভুল ফল এসেছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্রাড হ্যাজার্ড এবিসি টেলিভিশনকে বলেছেন, ল্যাবরেটরিতে প্রচণ্ড চাপ পড়ার কারণে এমন ‘মিক্সআপ’ হয়েছে।

নিউ সাউথ ওয়েলসে করোনাভাইরাস পরীক্ষার চাহিদা অত্যন্ত বেড়ে যাওয়ায় কর্মীদের কাজ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। ক্লিনিকে প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে অনেককেই ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। আবার বহু মানুষ করোনাভাইরাস পরীক্ষার ফল পেতে দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষায় থাকারও অভিযোগ করেছে।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক