সামাজিক মাধ্যমে ‘ট্রল’: মুখোশ উন্মোচনে আইন করছে অস্ট্রেলিয়া

সামাজিক মাধ্যমের ‘ট্রল’দের মুখোশ উন্মোচনে নতুন আইন প্রণয়নের ঘোষণা দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। নতুন আইনের অধীনে মানহানিকর বা অন্যদের জন্য হয়রানিমূলক মন্তব্য প্রচারকারীদের তথ্য প্রকাশে সামাজিক মাধ্যমগুলো বাধ্য থাকবে বলে উল্লেখ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

প্রযুক্তি ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 28 Nov 2021, 08:34 AM
Updated : 28 Nov 2021, 08:35 AM

সম্প্রতি অনলাইনে ব্যবহারকারীদের কমেন্টের জন্য প্ল্যাটফর্মগুলো দায়বদ্ধ থাকবে বলে রায় দিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ আদালত। ওই রায়ের পর থেকেই টুইটার ও ফেইসবুকের মতো প্ল্যাটর্মগুলো নিজস্ব প্ল্যাটফর্মে মানহানিকর কন্টেন্ট নিয়ে কতোটা দায়িত্বশীল আচরণ করছে--   অস্ট্রেলিয়া সরকার সেদিকে নজর রাখছে বলে জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের পর সিএনএনের মতো একাধিক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব ফেইসবুক পেইজে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকদের প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে।

এই প্রসঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন বলেন, “অনলাইনের দুনিয়া ওয়াইল্ড ওয়েস্টে পরিণত হওয়া উচিত নয় যেখানে বট, ধর্মান্ধ এবং ট্রলরা বেনামে যা খুশি করে বেড়াবে এবং মানুষের ক্ষতি করতে পারবে। বাস্তব দুনিয়ায় এমন হতে পারে না, ডিজিটাল দুনিয়াতেও এমনটা হওয়ার কোনো কারণ নেই।”

রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুসারে, নতুন আইন হলে এর অধীনে অভিযোগ জানানোর নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া থাকবে। যদি কারও মনে হয় যে সামাজিক মাধ্যমে তিনি মানহানিকর বক্তব্য, হয়রানি বা আক্রমণের শিকার হচ্ছেন, তবে প্ল্যাটফর্মকে ওই কন্টেন্ট মুছে দিতে বাধ্য করতে পারবেন তিনি।

অভিযোগের পরেও যদি ওই কন্টেন্ট থেকে যায় তবে আদালতের মাধ্যমে হয়রানিকারীর তথ্য প্রকাশে প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাধ্য করা যাবে।

“ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম-- এই অনলাইন প্রতিষ্ঠানগুলো-- এমন কন্টেন্ট সরিয়ে ফেলার জন্য যথোপযুক্ত প্রক্রিয়া থাকতে হবে তাদের।”

“এই জায়গাটি তারাই তৈরি করেছে এবং এটি নিরাপদ করে তোলা উচিত তাদের। আর তারা যদি সেটা না করে, আমরা এমন আইনের মাধ্যমে তাদের বাধ্য করবো।”-- যোগ করেন মরিসন।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক