২ হাজার খুদে দাবাড়ু নিয়ে স্কুল দাবা

সবশেষ স্কুল দাবা হয়েছিল ২০১৩ সালে। লম্বা বিরতি দিয়ে প্রতিযোগিতাটি আবার আয়োজন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন। আপাতত ৬৪ জেলার চারশ বিদ্যালয়ের দুই হাজার দাবাড়ু অংশগ্রহণ করবে।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 4 July 2022, 02:27 PM
Updated : 4 July 2022, 02:27 PM

রাজধানীর একটি হোটেলে সোমবার স্কুলভিত্তিক দলগত দাবা প্রতিযোগিতাটির উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেধা ভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণে দাবা খেলার কোনো ‘বিকল্প নেই’ বলে মন্তব্য করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশ সবশেষ গ্র্যান্ডমাস্টার পায় ২০০৮ সালে, এনামুল হোসেন রাজীবকে। এরপর আর কেউ গ্র্যান্ডমাস্টার হতে পারেননি। দাবা ফেডারেশনের সভাপতি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ স্কুল ভিত্তিক দাবা প্রতিযোগিতাটিকে ‘গ্র্যান্ডমাস্টার তৈরিতে সহায়ক’ হবে বলে আশাবাদ জানান।

স্কুল দাবা থেকে বাছাই করা ১০০ জন দাবাড়ুকে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য স্পেনে পাঠানোর পরিকল্পনা আছে বলে জানান ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ শাহাবুদ্দিন শামীম।

“আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এই প্রতিযোগিতায় ৬৪টি জেলার ৪'শ বিদ্যালয়ের ২ হাজার খুঁদে দাবাড়ু অংশগ্রহণ করছে। পর্যায়ক্রমে দেশের ৫ হাজার বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ হাজার খুদে ছেলে-মেয়েকে এই টুর্নামেন্টের আওতায় আনা হবে।”

“প্রাথমিক অবস্থায় সেরা চার জন ছেলে ও মেয়ে দাবাড়ুকে তিন মাসের উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য স্পেনে পাঠাবে বাংলাদেশ দাবা ফেডারেশন। যা আগামীতে শক্তিশালী করবে দেশের দাবা অঙ্গনকে।”

অনুষ্ঠান শুরু হয় অনলাইন গেমের পারফরমেন্সের ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্কুল থেকে বাছাইকৃত সেরা ৫০ জন স্কুল ছাত্রছাত্রীদের সাথে দেশের গ্র্যান্ডমাস্টারদের সিমুলটানিয়াস গেমের মাধ্যমে। খেলা শেষে অংশগ্রহণকারী স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের দেয়া হয় গ্র্যান্ডমাস্টারদের স্বাক্ষরিত সনদপত্র। 

সদ্য সমাপ্ত ওয়েস্টার্ন এশিয়ান ইয়ুথ দাবায় সাফল্য অর্জন করায় স্কুলের তিন ছাত্র-ছাত্রী খুশবু, সাকলাইন এবং সাজিদকে ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

স্কুল দাবা প্রতিযোগিতার পৃষ্ঠপোষকতা করছে আবুল খায়ের গ্রুপ।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক