ইতালির বিপক্ষে মের্টেন্সের ‘স্পেশাল’ লড়াই

আট বছর ধরে ইতালিয়ান ফুটবলে পদচারণা ড্রিম মের্টেন্সের। সেখানে তার বন্ধুর অভাব নেই। ইতালিয়ান ফুটবলকেও চেনেন-জানেন গভীরভাবে। প্রিয় ইতালি আর সেই বন্ধুদের অনেকে এখন তার প্রতিপক্ষ। লড়াইটি তাই বিশেষ কিছু বেলজিয়ামের এই ফরোয়ার্ডের কাছে।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 1 July 2021, 05:57 AM
Updated : 1 July 2021, 02:22 PM

ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ আটে মের্টেন্সের বেলজিয়াম খেলবে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা ইতালির সঙ্গে। শেষ চারে জায়গা করে নেওয়ার ম্যাচটি হবে শুক্রবার জার্মানির মিউনিখে।

২০১৩ সাল থেকে নাপোলির হয়ে খেলছেন মের্টেন্স। তাদের একরকম ঘরের ছেলে হয়ে গেছেন, ক্লাবের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোল স্কোরারও তিনি। ইতালি তাই অনেক দিক থেকেই তার আপন। তবে মাঠের লড়াইয়ে আপাতত তারাই এখন ‘শত্রু।’

এবারের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ইতালি ছুটছে অপ্রতিরোধ্য গতিতে। তাদের এই ছুটে চলা অবশ্য শুরু হয়েছে আরও অনেক আগে থেকেই, এই আসরে চলছে তার ধারাবাহিকতা। এমন দলকে থামানো সহজ নয়, খুব ভালো করেই জানেন মের্টেন্স। বুধবার সংবাদ সম্মেলনে ৩৪ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড বললেন, চ্যালেঞ্জ কতটা কঠিন।

“ইতালির বিপক্ষে লড়াই স্পেশাল, কারণ গত ৮ বছর ধরে আমি ওখানে থাকি এবং তাদের সব ফুটবলারকে চিনি। ওদের এই প্রজন্ম জানে, ফুটবলটা কিভাবে খেলতে হয়। লম্বা সময় ধরে ম্যাচের পর ম্যাচ জিতে আসছে তারা, গোল হজম করেছে খুব কম। তারুণ ও অভিজ্ঞতার দারুণ সমন্বয়ও আছে দলটির।”

“অনেকেই ভাবতে পারেননি, ইতালি এমন আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলবে কিন্তু নিজেদের ধরনে তারা দারুণ আস্থা রেখেছে। ওদেরকে এভাবে দেখাটা দারুণ।”

ইতালির এই প্রজন্ম যেমন দুর্দান্ত, তেমনি বেলজিয়ামের এই প্রজন্মের কাছেও আশার শেষ নেই। বেলজিয়ামের ‘সোনালি’ প্রজন্ম হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে তাদের। কিন্তু বড় কোনো ট্রফি এখনও ধরা দেয়নি। গত ইউরোতে তারা ছিটকে যায় এই কোয়ার্টার-ফাইনাল থেকেই। ২০১৮ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার-ফাইনাল উতরাতে পারলেও হেরে যায় সেমি-ফাইনালে, পরে হয় তৃতীয়।

এবার তারা শেষ আটে উঠেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পর্তুগালকে বিদায় করে দিয়ে। এই ইউরো কি বেলজিয়ামের সোনালি প্রজন্মের শেষ সুযোগ? মের্টেন্স একমত হলেন না, তবে আশাও ছাড়লেন না।

“ অবশ্যই এটা শেষ সুযোগ নয়, কারণ বেলজিয়ান ফুটবলের ভবিষ্যতের ওপর আমার আস্থা আছে। তবে আমিই প্রথম এটা বলছি যে, সুযোগটি অবশ্যই নিতে হবে আমাদের।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক