মিতউইলানের মাঠে লিভারপুলের হোঁচট

ম্যাচের প্রথম মিনিটেই গোল। এমন দারুণ শুরুর পর যেন পথ হারিয়ে ফেলল লিভারপুল। দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল মিতউইলান। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের চ্যাম্পিয়নদের রুখে দিল ডেনিশ চ্যাম্পিয়নরা।

স্পোর্টস ডেস্কবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 9 Dec 2020, 07:58 PM
Updated : 9 Dec 2020, 10:32 PM

প্রতিপক্ষের মাঠে বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ‘ডি’ গ্রুপের শেষ রাউন্ডে ১-১ ড্র করেছে লিভারপুল। মোহামেদ সালাহ দলটিকে এগিয়ে নেওয়ার পর সমতা টানেন আলেকসান্দের শোলজ। প্রথম পর্বে অ্যানফিল্ডে ২-০ গোলে জিতেছিল ইয়ুর্গেন ক্লপের দল।

একই সময়ে হওয়া গ্রুপের অন্য ম্যাচে আয়াক্সকে তাদেরই মাঠে ১-০ গোলে হারিয়ে শেষ ষোলোয় উঠেছে আতালান্তা।

আগের রাউন্ডে গ্রুপ সেরা হয়ে নকআউট পর্বের টিকেট নিশ্চিত করা লিভারপুল গোলের দেখা পায় ম্যাচের ৫৫ সেকেন্ডেই। প্রতিপক্ষের দুর্বল ব্যাক-পাসে বল পেয়ে ডি-বক্সে ঢুকে এগিয়ে আসা গোলরক্ষককে ফাঁকি দেন সালাহ।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে লিভারপুলের দ্রুততম গোল এটিই। ২২ গোল নিয়ে ইউরোপ সেরার প্রতিযোগিতায় স্টিভেন জেরার্ডকে ছাড়িয়ে এককভাবে দলটির সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে গেলেন সালাহ।

২০তম মিনিটে দ্বিগুণ হতে পারতো ব্যবধান। তাকুমি মিনামিনোর ক্রসে কাছ থেকে দিয়োগো জোতার ভলি দারুণ দক্ষতায় ফিরিয়ে দেন গোলরক্ষক। ৩৩তম মিনিটে মিনামিনোর পাসে বল বাইরে মেরে সুযোগ হারান দিভোক ওরিগি।

দুই মিনিট পর ফাবিনিয়োর দৃঢ়তায় বেঁচে যায় লিভারপুল। খুব কাছ থেকে মিতউইলানের একজনের হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন এই ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ভাগ্যের ফেরে গোল পায়নি স্বাগতিকরা। ডি-বক্সের ভেতর থেকে ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ইভান্দেরের বুলেট গতির শট ফেরে ক্রসবার কাঁপিয়ে।

৬২তম মিনিটে সফল স্পট কিকে সমতা ফেরান শোলজ। আন্দের্স দ্রায়েরকে লিভারপুলের গোলরক্ষক কুইভিন কেলেহার ফাউল করলে ভিএআরের সাহায্যে পেনাল্টির বাঁশি বাজিয়েছিলেন রেফারি।

৮৬তম মিনিটে দারুণ এক সেভ করে লিভারপুলকে রক্ষা করেন কেলেহার। খুব কাছ থেকে নেওয়া একজনের জোরালো হেড ফিরিয়ে দেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে মিনামিনো বল জালে পাঠালেও হ্যান্ডবলের কারণে গোল পায়নি সফরকারীরা।

ছয় ম্যাচে চার জয় ও এক ড্রয়ে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করল লিভারপুল। তিন জয় ও দুই ড্রয়ে আতালান্তার পয়েন্ট ১১। আয়াক্সের ৭ ও মিতউইলানের ২ পয়েন্ট।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক