জামালের ‘বিভ্রান্তি’ মারুফুলের ‘দোটানা’

জামাল ভূইয়া শুরুটা করেছিলেন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে। বর্তমানে তার ভূমিকা আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার; মাঝমাঠের লাগাম মুঠোয় রাখার সঙ্গে আক্রমণে উঠছেন, সুযোগ পেলে করছেন গোলও। চট্টগ্রাম আবাহনী কোচ মারুফুল হক নির্ভরযোগ্য এই যোদ্ধাকে রণাঙ্গনে কিভাবে কাজে লাগাবেন তা নিয়ে আছেন কিছুটা দোটানায়।

ক্রীড়া প্রতিবেদকচট্টগ্রাম থেকে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 24 Oct 2019, 03:50 PM
Updated : 25 Oct 2019, 05:16 AM

টানা দুই জয়ে শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্লাব কাপের সেমি-ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখা চট্টগ্রাম আবাহনী এমএ আজিজ স্টেডিয়ামে আগামী শুক্রবার ভারতের আই-লিগের ২০১৪-১৫ মৌসুমের চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগানের মুখোমুখি হবে। এ ম্যাচেও জামালের দিকে তাকিয়ে থাকবে বন্দরনগরীর দলটি।

প্রতিযোগিতার বর্তমান চ্যাম্পিয়ন টিসি স্পোর্টস এবং লাওসের ইয়াং এলিফ্যান্টসকে উড়িয়ে দেওয়া ম্যাচে মাঝমাঠ দারুণভাবে সামলেছেন জামাল। এলিফ্যান্টসের বিপক্ষে করেছেন গোলও। কিন্তু চট্টগ্রাম আবাহনী কোচ মারুফুলের মনে হচ্ছে নিজের পজিশন নিয়ে বিভ্রান্তির মধ্যে আছেন তার শিষ্য।

“(এই আসরে) জামালের পারফরম্যান্স অবশ্যই ভালো। তবে একটা ব্যাপার হলো যে, বাংলাদেশে এসে ও শুরু করে ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার হিসেবে। গত বছর এবং এ বছর ও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার হিসেবে খেলেছে। জাতীয় দলে ওর ভূমিকা কী, তা আমার কাছে পরিষ্কার নয়। তাই মাঝে মাঝে মনে হয়ে ও নিজেও কিছুটা বিভ্রান্ত।”

“যখন ৪-২-৩-১ ফরমেশনে ছক কষি, অর্থাৎ যখন দুজন হোল্ডিং মিডফিল্ডার থাকে তখনই জামাল দ্বিধায় থাকে। আবার যখন ৪-৩-৩ তে যাই তখন সে একেবারে মানিয়ে নেয়।”

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ক্রমেই পরিণত হচ্ছেন জামাল। তার আরও উন্নতির সুযোগ দেখেন মারুফল।

“একজন খেলোয়াড়ের ম্যাচিউরিটির সঙ্গে অনেক কিছুরই উন্নতি হয়। একজন খেলোয়াড়কে সময় দিতে হয় সেটপিসের জন্য নিজেকে তৈরি করতে। প্রচুর অনুশীলনও করাতে হয়।”

“২০১৫ সাফে খুব অসুস্থ থাকায় জামাল খেলতে পারেনি। বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপে হাফ ফিট ছিল। শেখ জামাল ধানমণ্ডি ক্লাবে ও ছিল টিপিক্যাল মিডফিল্ডার। ওর আক্রমণে ওঠার সামর্থ্য আছে।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক