বড় জয়েরই লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের

এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপের বাছাইপর্বে পয়েন্টের সঙ্গে গোল ব্যবধানটাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের মেয়েরা তাই ব্যবধান বাড়াতে সচেষ্ট ছিল বলে জানিয়েছেন কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 17 Sept 2018, 12:41 PM
Updated : 17 Sept 2018, 12:57 PM

কমলাপুরের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে সোমবার বাহরাইনকে ১০-০ গোলে উড়িয়ে দেয় বাংলাদেশ। দলের জয়ে জোড়া গোল করেন আনুচিং মোগিনি, মারিয়া মান্ডা ও শামসুন্নাহার জুনিয়র। বাকি চার গোল সাজেদা খাতুন, শামসুন্নাহার সিনিয়র, আনাই মোগিনি ও তহুরা খাতুনের।

ম্যাচের পর কোচ জানালেন, মেয়েরা পরিকল্পনা অনুযায়ী খেলতে পেরেছে।

"প্রথম ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। ভালোভাবে শুরু করেছে মেয়েরা। তারা তাদের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে জিতেছে। শুরু থেকে আমাদের লক্ষ্য বাছাইয়ে সেরা হতে হবে। গোল গড়ে এগিয়ে থাকতে হবে। সেভাবেই মেয়েদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। মেয়েরা সেটা করতে পেরেছে।"

"এখন আমাদের ভাবনা লেবাননের বিপক্ষে পরের ম্যাচ নিয়ে।"

প্রচণ্ড গরম খেলায় কোনো প্রভাব ফেলেনি বলেও জানান অধিনায়ক মারিয়া মান্ডা।

"লক্ষ্য ছিল প্রথম ম্যাচ জেতা। জিতে ভালো লাগছে। গরমের কারণে কোনো সমস্যা হয়নি। এ ধরনের পরিস্থিতির জন্য আমরা আগে থেকে প্রস্তুত ছিলাম। আমরা দুপুর ১২টার দিকে ট্রেনিং করতাম। দলের জয়ে অবদান রাখতে পেরে খুশি। তবে হ্যাটট্রিক পেলে আরও খুশি হতাম।"

জোড়া গোল করা শামসুন্নাহার জুনিয়রেরও হ্যাটট্রিক না পাওয়ার জন্য একটু আক্ষেপ আছে।

"দুই গোল দিতে পেরে ভালো লাগছে। দল জেতায় আরও ভালো লাগছে। হ্যাটট্রিক না পাওয়াটা ভাগ্যের ব্যাপার। পেলে আরও ভালো লাগত।"

লেবানের কাছে ৮-০ গোলে হারের পর বাংলাদেশের কাছে ১০-০ গোলে হার। হতাশ বাহরাইন কোচ খালিদ হাসান বাংলাদেশকে প্রশংসা করতে ভোলেননি। আলাদাভাবে প্রশংসা করলেন তহুরা, শামসুন্নাহার জুনিয়রের।

"পরীক্ষা ও পারিবারিক কারণে আমাদের সাত জন খেলোয়াড় এখানে আসতে পারেনি। তবে বাংলাদেশ যোগ্যতর দল হিসেবে খেলে জিতেছে।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক