‘মুকুট ধরে রাখতে সর্বোচ্চ দেবে আবাহনী’

নয়বারের ফেডারেশন কাপের চ্যাম্পিয়ন আবাহনীকে হাতছানি দিচ্ছে প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ দশবারের সেরা মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবের পাশে বসার সুযোগ। সুযোগ কাজে লাগাতে প্রস্তুত অধিনায়ক মামুন মিয়া। একই লক্ষ্য কোচ দ্রাগো মামিচেরও। কিন্তু সূচিতে কম দিনের ব্যবধানে খেলা থাকায় বাংলাদেশে ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) ওপর ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন ক্রোয়েশিয়ার এই কোচ।

ক্রীড়া প্রতিবেদকবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 5 June 2017, 01:21 PM
Updated : 5 June 2017, 01:21 PM

আগামী মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় শিরোপা লড়াইয়ে নামবে দুই আবাহনী।চট্টগ্রাম আবাহনীর সামনে সুযোগ প্রথমবারের মতো ফাইনালে এসে বাজিমাত করার। আগের দিনেরসংবাদ সম্মেলনে আবাহনী লিমিটেডের অধিনায়ক মামুন জানালেন শিরোপা ধরে রাখার আশাবাদ।

“আপনারা সবাই জানেন, আমরা গত আসরের চ্যাম্পিয়ন এবং আমরা মুকুট ধরেরাখার জন্য মনেপ্রাণে চেষ্টা করব। আগামীকাল ফাইনাল; ভালো পারফর্ম করে আমাদের জিততেহবে এবং লক্ষ্য পূরণ করতে হবে।”

“আমরা অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী নই। সেটা হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। অন্যসব ম্যাচের মতো এ ম্যাচকেও একইভাবে নিচ্ছি এবং আগের ম্যাচগুলোয় আমরা যেভাবে ছন্দ ধরেরেখে খেলেছি, এ ম্যাচেও সেভাবে খেলার লক্ষ্য আমাদের।”

মামুনরা কতটা ছন্দময় ফুটবলের পসরা মেলতে পারবেন, সেটা নিয়ে যথেষ্ঠসন্দিহান কোচ মামিচ। কেননা গত ৩১ মে এএফসি কাপের ম্যাচ খেলার পর গত শনিবার ফেডারেশনকাপের সেমি-ফাইনাল খেলেছে তার শিষ্যরা। ফেডারেশন কাপের ফাইনাল একদিন পেছালেও সাত দিনেরমধ্যে তিন ম্যাচ খেলার সূচি নিয়ে বাফুফেকে ধুয়ে দিয়েছেন তিনি।

“এটা আমাদের জন্য বড় সমস্যা। আমরা স্রেফ রিকোভারির জন্য লড়াই করছি।আশা করি, আগামীকালের ম্যাচে জন্য ছেলেরা শারীরিক ধকল কাটিয়ে উঠবে।”

“রিকোভারির জন্য ২৪ ঘণ্টা সময় যথেষ্ঠ নয়। আমি অবশ্যই আমার খেলোয়াড়দেররক্ষা করব। যদি কেউ চোট পায়, তাহলে ওই সূচির কারণে পাবে। যদি কাল আমাদের ফাইনালটা খেলতেহত, তাহলে আমি মনে করি না, আমরা মাঠে সেরা একাদশ নামাতে পারতাম। আমি আশা করি, কেউ নাকেউ বিষয়টা ভাববে।”

প্রথমবারের মতো ফেডারেশন কাপের ফাইনালে ওঠা চট্টগ্রামের দলটি সম্পর্কেজানাশোনা না থাকার কথাও অকপটে স্বীকার করলেন মামিচ। তবে ঠিকই জানালেন মুকুট ধরে রাখারপ্রত্যয়।

“আমি অনেক দল দেখেছি, কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে চট্টগ্রাম আবাহনীকেদেখা হয়নি। তবে শুনেছি তারাও শক্তিশালী দল এবং সে কারণে এ মুহূর্তে আমরা যেটা করতেপারি, সেটা হচ্ছে তাদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ দেওয়ার চেষ্টা করা। কঠিন ম্যাচ হবে। কেননাতারাও জয়ের জন্য সর্বোচ্চটা দেবে। মাঠে আমি কঠিন লড়াইয়ের প্রত্যাশা করছি।”

“আমি সবসময় আমার দলের উন্নতি নিয়ে ভাবি। আশা করি ছেলেরা আমার নির্দেশনাঅনুসরণ করবে। প্রতি ম্যাচে তারা ভালো থেকে আরও ভালো হচ্ছে এবং এ কারণে সাফল্য পাওয়ারপ্রশ্নে আমি বাস্তববাদী।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক