ফরিদপুরে ‘স্বামীকে বেঁধে ইউপি সদস্যকে দলবেঁধে ধর্ষণ’

ফরিদপুরে স্বামীকে বেঁধে রেখে ইউনিয়ন পরিষদের এক মহিলা সদস্যকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মামলার পর একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

ফরিদপুর প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 4 July 2022, 01:38 PM
Updated : 4 July 2022, 02:37 PM

জেলার আলফাডাঙ্গা উপজেলার বুড়াইচ ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের এই সদস্যকে তার ‘ছেলের জন্য পাত্রী দেখানোর কথা বলে ডেকে নেওয়া হয়’।

আটক মাহাবুব আলম (৩০) জেলার বোয়ালমারী পৌরসভার রায়পুর গ্রামের ওহিদ বিশ্বাসের ছেলে। পেশা হিসেবে মাইক্রোবাস চালান মাহাবুব।

বোয়ালমারী থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুল ওহাব বলেন, ইউপি সদস্য বিষয়টি জানানোর সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার মূল হোতা মাহাবুবকে আটক করে পুলিশ। অন্যদের আটকে অভিযান চালানো হচ্ছে।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন বোয়ালমারী উপজেলার অমৃতনগর গ্রামের হাকিম মোল্লার ছেলে কাউসার (৫০), উপজেলার রায়পুর গ্রামের জাহেদ বিশ্বাসের ছেলে লিজন (২২), একই গ্রামের রেজাউলের ছেলে সাব্বির (১৯), আব্দুল হক বিশ্বাসের ছেলে শাহিদুল (২৭), মাজেদ বিশ্বাসের ছেলে ফারুক (২৮) ও হাশেম বিশ্বাসের ছেলে আব্দুল কাদের (৩২)।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, কাউসার ও লিজন শনিবার রাতে ৫২ বছর বয়সী এই ইউপি সদস্য ও তার স্বামীকে বোয়ালমারী পৌরসভার রায়পুর গ্রামে ডেকে নেন। ইউপি সদস্যের ছেলের জন্য পাত্রী দেখানোর কথা ছিল। কিন্তু পাত্রী না দেখিয়ে আসামিরা তাদের টেনে-হিঁচড়ে একটি মেহেগনি বাগানে নিয়ে যান। সেখানে সাত আসামি তাকে দলবেঁধে ধর্ষণ করেন।

ইউপি সদস্যের স্বামী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে মারধর করা হয়। তাছাড়া তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে বেঁধে রাখা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরদিন রোববার সকালে থানায় গিয়ে মামলা করে ইউপি সদস্য। পুলিশ তাকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য পাঠায়।

মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার সুমন কর বলেন, “থানায় মামলার পরপরই পুলিশ অভিযান শুরু করেছে। আশা করছি খুব দ্রুত আমরা সব আসামিকে আইনের আওতায় আনতে পারব।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক