পদ্মার তীব্র স্রোতে চলছে ভাঙন

ফরিদপুরে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে নদী রক্ষা বাঁধসহ বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

ফরিদপুর প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 21 June 2022, 01:39 PM
Updated : 21 June 2022, 01:39 PM

স্থানীয়রা জানান, চরভদ্রাসন উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের অনেক পরিবার ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকলে সবুল্লা শিকদারের ডাঙ্গী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।  

পদ্মার পানি গোয়ালন্দ পয়েন্টে গত ২৪ ঘণ্টায় ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে।

মঙ্গলবার চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানজিলা কবির ত্রপা বলেন, ভাঙন এলাকায় কিছু বস্তা পানির স্রোতে বিলীন হয়ে গেছে। তবে সেখানে পুনরায় বালুর বস্তা ফেলাসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সোমবার দুপুর থেকে ভাঙন দেখা যায়। চরভদ্রাসন উপজেলার চর হরিরামপুর ইউনিয়নের সবুল্লা শিকদারের ডাঙ্গী গ্রামের নদীর বাঁধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বালুভর্তি জিও ব্যাগের ডাম্পিং করা প্রায় ১০ মিটার জায়গা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, বালুভর্তি জিওব্যাগ ডাম্পিং করার কিছু সময় পরই নদীতে তলিয়ে যেতে থাকে। বাঁধের কাজ শুরু হওয়াতে তাদের আশা ছিল আর হয়তো ভাঙবে না। কিন্তু হঠাৎ ভাঙন দেখা দেওয়ার পর চিন্তায় পড়ে গেছেন ওই এলাকার বসবাসরত মানুষ।

চর হরিরামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আজাদ খাঁন জানান, পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে তীব্র স্রোতের কারণে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে। এ এলাকায় একটি প্রাইমারি স্কুল ও প্রায় সাড়ে তিনশ পরিবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। ভাঙন রোধে কাজ চলছে। বালু ভরতি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে।

কাজের পরিমাণ ও গতি বাড়াতে হবে বলে তিনি মনে করেন।

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ প্রতিম সাহা বলেন, ফরিদপুরে প্রতিদিনই পদ্মাসহ বিভিন্ন নদীর পানি বাড়ছে। তবে এখনও বিপৎসীমা অতিক্রম করেনি। পানি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন নদ-নদীতে ভাঙন শুরু হয়েছে।

“ভাঙনরোধে কাজ চলছে। সবুল্লা শিকদারের ডাঙ্গী গ্রামে দুইশত মিটার স্থায়ী বাঁধের কাজটি পুরোপুরি সম্পন্ন করা যায়নি। এ বছর পূর্ব সতর্কতামূলক প্রকল্প এলাকা ঢালু করে তার উপর জিও ব্যাগের ডাম্পিং করা হয়েছে।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক