খন্দকার দেলোয়ারের দুই ছেলের বিরুদ্ধে আরেক ছেলের মামলা

বিএনপির সাবেক মহাসচিব প্রয়াত খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের বড় দুই ছেলের বিরুদ্ধে আরেক ছেলে জমি নিয়ে প্রতারণার মামলা করেছেন।

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 17 June 2022, 07:17 PM
Updated : 17 June 2022, 07:17 PM

মানিকগঞ্জ সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের ছোট ছেলে খন্দকার আক্তার হামিদ পবন।

আসামিরা হলেন পবনের দুই বড় ভাই খন্দকার আকবর হোসেন বাবলু (৬০),  অ্যাডভোকেট খন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলু (৪৮), ডাবলুর বড় ছেলে অরভিল খন্দকার ও স্ত্রী নাছিমা আক্তার শিমু।

বাবুল জেলা বিএনপির সহসভাপতি এবং মেজ ছেলে ডাবলু মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য।

মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি রউফ সরকার বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। 

মামলায় অভিযোগ করা হয়, সদর উপজেলার দক্ষিণ সেওতা এলাকায় ২১.৫ শতাংশ জমিতে পারিবারিকভাবে সকলের সম্মতিতে স্থাপনা নির্মাণের জন্য ধলেশ্বরী ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের জন্য খন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পরিবারের কয়েকজন বসেন। 

গত ১২ জুন মানিকগঞ্জ শহরের পশ্চিম দাশড়া এলাকায় ধলেশ্বরী ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির কার্যালয়ে বসেন তারা। এ সময় চুক্তিনামায় সই করার আগে পবন সাইনিং মানির কথা জানতে চাইলে ও চুক্তিপত্র দেখতে চাইলে বড় দুই ভাই ডাবলু ও বাবলুর সঙ্গে তর্ক হয়। এক পর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায়। পরে চুক্তিনামায় সই না করে তা স্থগিত করে যে যার মতো চলে যান। 

খন্দকার আক্তার হামিদ পবন বলেন, “আমি সাইনিং মানির কথা জানতে চাওয়ায় আমার বড় ভাই বাবলু ও ডাবলু এবং ডাবলুর ছেলে আমাকে কিল, ঘুষি মারে। এছাড়া লোহার রড ও কাঠ  দিয়ে আমাকে ধাওয়া করে  পেটাতে থাকে।”

পরে ওই অফিসের লোকজনের সহযোগিতায় সেখান থেকে তাকে সদর হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয় বলে জানান তিনি। 

মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির সদস্য ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী সদস্য খোন্দকার আব্দুল হামিদ ডাবলু বলেন, “খোন্দকার আক্তার হামিদ পবন আমার ছোট ভাই হলেও সে মাদক সেবন করে। সে মাদক সেবন করে আমাকে, আমার বড় ভাইকে ও ছেলেকে মারধর করেছে। সম্মান ও পরিবারের কথা চিন্তা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।”

পবনকে মারধরের কথা তিনি অস্বীকার করেছেন।

এ বিষয়ে খন্দকার আকবর হোসেন বাবলুর সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক