বৃষ্টি ছাড়া ‘সবই সুন্দর’ দেখলেন কুমিল্লার রিটার্নিং কর্মকর্তা

দিনের শুরুতে আধা ঘণ্টার বৃষ্টি ভিজিয়ে দিয়ে গেছে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটারদের, এর বাইরে প্রথম দুই ঘণ্টায় সব ‘ভালোভাবেই’ চলছে বলে জানালেন রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী।

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কুমিল্লা থেকেবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 15 June 2022, 05:49 AM
Updated : 15 June 2022, 06:20 AM

বুধবার সকাল ১০টার দিকে ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “বেশ কয়েকটি কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি, সবাই সুন্দরভাবে ভোট দিচ্ছেন। বৃষ্টি আসার কারণে ভোটার উপস্থিতি একটু কম আছে।”

ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে কেন্দ্রে আসতে পারেন, সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে বলে জানান তিনি।

এই সিটির ১০৫টি কেন্দ্রে সকাল ৮টায় নির্ধারিত সময়েই ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ঘণ্টাখানেক পর বৃষ্টি শুরু হলে বিপাকে পড়েন কেন্দ্রের বাইরে অপেক্ষায় থাকা ভোটাররা। যারা ভোটকেন্দ্রের পথে রওনা হচ্ছিলেন, তাদেরও কিছুটা দেরি করিয়ে দেয় বৃষ্টি। 

আধা ঘণ্টার মত কুমিল্লা নগরীকে ভিজিয়ে বৃষ্টি থামলে ১০টার পর আবার কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন ভোটাররা। রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরীও ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুল কেন্দ্রে আসেন বৃষ্টি থামার পর।

সোয়া দুই লাখের বেশি ভোটারের এ নগরে ভোট নেওয়া হচ্ছে ইভিএমে। বিএনপি ছেড়ে ভোটে আসা মেয়র পদের দুই প্রার্থী মো. মনিরুল হক সাক্কু এবং নিজাম উদ্দিন কায়সার ইভিএম নিয়ে বিভিন্ন কেন্দ্রে সমস্যার কথা বলেছেন।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, “আসলে এটা একটা টেকনোলজির বিষয়, অনেক ভোটার ওইভাবে পরিচিত না; ভোট কেন্দ্রে এসে ভাবে, কীভাবে এখানে ভোট দেবে?

“আসলে ইভিএমে ভোট দেওয়া খুব সহজ, ভোটারদের বলব, কেন্দ্রে এসে পছন্দের প্রার্থীকে গোপন কক্ষে গিয়ে ভোট দিন।”

কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা শাহেদুন্নবী চৌধুরী।

নির্বাচনে সব প্রার্থী এজেন্ট দিয়েছে কি না জানতে চাইলে শাহেদুন্নবী চৌধুরী বলেন, তিনি যে কেন্দ্রগুলো সকাল থেকে দেখেছেন, সেগুলোতে তিনজন প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট দেখেছেন তিনি।

“দুজন মেয়র প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট পাইনি। প্রিজাইডিং অফিসার জানিয়েছেন, ওইসব মেয়র প্রার্থী পোলিং এজেন্ট নিয়োগ দেননি। এখানে কাউকে বের করে দেওয়া হয়নি।”

পোলিং এজেন্ট বের করে দেওয়ার অভিযোগ পেলেও সেটি মিথ্যা ছিল বলে দাবি করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, “এখানে প্রভাবিত করার চেষ্টা ও চাপ কিছুই নেই।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক