ঈদ শেষে ফেরা: চাপ বেড়েছে দৌলতদিয়া ঘাটে

গ্রামের বাড়িতে স্বজনদের সঙ্গে ঈদের ছুটি কাটিয়ে ঢাকাসহ আশেপাশের জেলায় ফিরতে শুরু করা লোকজন ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে।

রাজবাড়ী প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 5 May 2022, 09:37 AM
Updated : 5 May 2022, 10:23 AM

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে যাত্রী ও যানবাহনের তেমন চাপ না থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে থাকে। সকালে ঘাটের জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মডেল স্কুল পর্যন্ত প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকায় যানজট দেখা গেছে। ফেরিতে উঠতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা গাড়িতেই অপেক্ষা করতে হচ্ছে যাত্রীদের।

বিআইডব্লিউটিসি’র দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক প্রফুল্ল চৌহান জানান, সকাল থেকে ফেরিগুলো যানবাহনের অপেক্ষায় ছিল। তখন ১০টি ফেরি দিয়ে পারাপার করানো হয়। এরপর সকাল ১০টার পর চাপ বাড়তে থাকলে ঘাট এলাকায় জট সৃষ্টি হতে শুরু করে। এরপর ফেরি বাড়ানো হয়। 
এখন দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে ছোট-বড় মিলে ২১টি ফেরি দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাটুরিয়া ঘাটে গাড়িগুলোকে এক থেকে দুই ঘণ্টার বেশি সময় অপেক্ষায় থেকে ফেরিতে উঠতে হচ্ছে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যানবাহনের চাপও বেড়ে যায়। বড় গাড়ির সঙ্গে প্রাইভেটকার ও মোটর সাইকেলেরও চাপ রয়েছে ঘাটে।

সোহাগ পরিবহনের যাত্রী মোস্তফা মাহামুদ বলেন, “বেলা ১১টার দিকে ঘাট এলাকায় এসে আটকে আছি। এখনও ফেরিতে উঠতে পারি নাই। ফেরিতে উঠতে হয়তো আরও সময় লাগবে।”

আরেক যাত্রী লাভলী আক্তার প্রিয়া বলেন, “ঈদের দুই দিন পরে এসেও ঘাটে জ্যামে পরলাম। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে গরমও বাড়ছে। ছোট বাচ্চাটা গরমে ছটফট করছে। ঈদে বাড়ি যাওয়ার সময় কোন ভোগান্তি ছিল না। কিন্তু ফেরার সময় ভোগান্তিতে পরতে হল।”

মিতুল প্রামাণিক নামের আরেক যাত্রী বলেন, “মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কারগুলো সরাসরি ফেরিতে উঠে চলে যাচ্ছে। আর যারা বাসের যাত্রী রয়েছে তাদের বসে থাকতে হচ্ছে দুই থেকে তিন ঘণ্টা পর্যন্ত। ফেরি বাড়ালে হয়তো দুই ঘন্টা ঘাটে বসে থাকতে হবে না।”

রাজবাড়ী পুলিশ সুপার এমএম শাকিলুজ্জামান বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, সকালে যানবাহনের চাপ না থাকার কারণে ফেরি কম ছিল। হঠাৎ যানবাহনের চাপে কিছু গাড়ি সিরিয়ালে রয়েছে।

যাত্রীদের নিরাপত্তায় ঘাটের বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে বলে জানান তিনি।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক