ঈদের দিন দুই জেলায় মোটরসাইকেলে ঝরল ৪ প্রাণ

বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে সিরাজগঞ্জ ও টাঙ্গাইলে চার কিশোর প্রাণ হারিয়েছেন। এই দুই জেলায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।

টাঙ্গাইল প্রতিনিধিসিরাজগঞ্জ ও বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 3 May 2022, 06:13 PM
Updated : 3 May 2022, 06:13 PM

মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় দুই স্থান এবং টাঙ্গাইলের ধনবড়ীতে এ দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।

সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জের তাড়াশ উপজেলায় মঙ্গলবার দুটি স্থানে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুই কিশোর নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন দুইজন।

এরা হলেন উপজেলার তালম ইউনিয়নের বড়ইচড়া গ্রামের আবু বক্কারের ছেলে মেহেদী হাসান (১৭) ও মাগুড়া বিনোদ ইউনিয়নের ঘর গ্রামের মোজাহার হোসেনের ছেলে শাকিল আহমেদ (১২)। 

মেহেদী এইচএসসি এবং শাকিল ৭ম শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।

তাড়াশ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম বলেন, ঈদের দিন বিকালে একটি মটরসাইকেলে ঘুরতে বের হয়েছিলেন তিন বন্ধু।

“তাড়াশ-রানীরহাট সড়কে বেরখালী এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছে ধাক্কা লাগে মোটরসাইকেলের। এতে ঘটনাস্থলেই মেহেদী হাসান মারা যান।”

তার দুই বন্ধু বড়ইচড়া গ্রামের রাকিব হোসেন (১৭) ও রনি আহমেদকে (১৬) উদ্ধারের পর বগুড়ায় পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি লুৎফর রহমান বলেন, বিকালে হাটিকুমরুল-বনপাড়া মহাসড়কের তাড়াশ উপজেলার মান্নাননগর এলাকায় মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপর পড়ে শাকিল নামের এক কিশোর মারা গেছেন। স্বজনরা তার লাশ নিয়ে গেছে।

টাঙ্গাইল

টাঙ্গাইলের ধনবড়ীতে বেপরোয়া গতিতে মোটরসাইকেল চালাতে গিয়ে দুই কিশোর নিহত ও একজন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবর বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে টাঙ্গাইল-জামালপুর আঞ্চলিক সড়কে রূপশান্তি কুইচা মারা সেতুতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন ধনবাড়ীর যদুনাথপুর ইউনিয়নের পতলাচরা গ্রামের আছর আলীর ছেলে রিপন (১৫) ও একই গ্রামের আবদুর রহিমের ছেলে আল আমিন (১৫)।

আহত নূর ইসলামকে (১৪) ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপতালে পাঠনো হয়েছে।

ধনবাড়ী থানার ওসি চান মিয়া স্থানীয়দের বরাতে জানান, একটি মোটরসাইকেলে তারা নল্লাবাজরের দিক থেকে ধনবাড়ীর দিকে বেপরোয়া গতিতে যাচ্ছিল। হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সেতুর পিলারে ধাক্কা লেগে তারা ছিটকে সড়কের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে পড়ে।

“উদ্ধার করে কয়েকশ গজের মধ্যের ধনবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য  কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে রিপন ও আল আমিনকে কতর্ব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক