পাবনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্যের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম রোস্তম আলীর বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন এই প্রতিষ্ঠানেরই সাবেক প্রক্টর।

পাবনা প্রতিনিধিবিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
Published : 24 March 2022, 04:58 PM
Updated : 24 March 2022, 04:58 PM

বৃহস্পতিবার বিচারিক হাকিম মো. সাইফুল ইসলামের আদালতে মামলাটি দায়ের করেন সাবেক প্রক্টর ড. আওয়াল কবির জয়।

বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সমন জারি করেন বলে বাদীর আইনজীবী আবদুল আজিজ ও চৌধুরী সুলতানা রাজিয়া টুলটুলি জানিয়েছেন।

মামলার বরাতে আবদুল আজিজ বলেন, অধ্যাপক ড. এম রোস্তম আলী উপাচার্য থাকার সময় ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ড. আওয়াল কবির জয়কে রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানানোর পরে রিজেন্ট বোর্ডের সভায় প্রবেশ করতে বাধা দেন এবং কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই প্রশাসনিক দায়িত্ব দেওয়া হবে না মর্মে সিদ্ধান্ত নেন।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে তদন্ত কমিটি বানিয়ে হয়রানি করেন এবং দীর্ঘ সময় প্রতিবেদন না দিয়ে উপাচার্যের মেয়াদ শেষের আগে চলে যান বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রক্টর ড. আওয়াল কবির জয়

চৌধুরী সুলতানা রাজিয়া টুলটুলি জানান, ড. আওয়াল কবির জয়ের সামাজিক, ব্যক্তিগত এবং প্রশাসনিক সম্মান হানি হয়েছে এবং তিনি সীমাহীন ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। এতে তার ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়।

এ বিষয়ে আওয়াল কবির জয় বলেন, “উপাচার্য ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাকে রিজেন্ট বোর্ডের সভায় ঢুকতে দেননি এবং কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রেখে আমার ব্যক্তিগত, চাকরি, এবং সামাজিক ক্ষতি করেছেন। বিনা কারণে আমাকে বার বার হয়রানি করেছেন। আশা করি আদালতে ন্যায় বিচার পাব।”

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অধ্যাপক ড. এম রোস্তম আলী।

তিনি বলেন, “উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর আমি গোপন তদন্ত সাপেক্ষে প্রমাণ পেয়ে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ফেরাতে তাকে প্রশাসনের সকল দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেই। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আমার মেয়াদকালের পুরো সময় প্রভাবশালীদের বিভ্রান্ত ও শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে আন্দোলনের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ নষ্ট করার নেতৃত্ব দিতেন তিনি। এরপরও আমাকে সিদ্ধান্ত থেকে সরাতে না পেরে নানা অপবাদ দিয়েছেন। এখন মেয়াদ শেষেও হয়রানি করতে মামলা করেছেন।”

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক