সংখ্যালঘু কারা

শারমিন আহমদ
Published : 17 Nov 2013, 08:04 PM
Updated : 17 Nov 2013, 08:04 PM

তাজউদ্দীন আহমদ মনে হয় ভবিষ্যৎ দেখতে পেতেন। বিশেষ করে রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ। তাঁর মতো করে ভবিষ্যৎ দেখতে স্বাধীনতাউত্তর বাংলাদেশে বোধহয় আর কেউ পারেননি। কিন্তু যারা ভবিষ্যৎ দেখতে পারেন এবং সেই সঙ্গে ন্যায়নীতির প্রশ্নে থাকেন আপোসহীন-অবিচল, তাদেরকে, বিশেষ করে আমাদের মতো রাষ্ট্রীয় চিন্তা-ভাবনায় অনুন্নত (উন্নত চিন্তা জাতীয় অগ্রগতির মূল সোপান) দেশে বড় রকমের মাসুল দিতে হয়।

তাজউদ্দীন আহমদকেও তা দিতে হয়েছিল নানাভাবে ও শেষ পর্যন্ত তাঁর জীবন দিয়ে। দূরদ্রষ্টা, স্বাধীনতা যুদ্ধের সফল নেতৃত্বদানকারী ও অসাধারণ প্রশাসক তাজউদ্দীন আহমদের নীতি-উপদেশ গ্রহণ করলে বা তিনি বেঁচে থেকে কাজ করার সুযোগ পেলে বাংলাদেশ আজ যে সভ্য, সুন্দর ও সফল রাষ্ট্ররূপে পরিগণিত হত তা বলাবাহুল্য। আজ বাংলাদেশকেও জ্বলতে হত না পাকিস্তান পন্থায় ধর্মের নামে চরম অধর্মপূর্ণ সহিংসতার অগ্নিকুণ্ডে। তাজউদ্দীন আহমদের কাছে সব ধর্মের সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের বিষয়টি ছিল তাঁর আজীবনের চিন্তা-চেতনা ও কর্মের অঙ্গ।

তিনি সংখ্যালঘুদের প্রসঙ্গে বলেছিলেন যে বাংলাদেশে ধর্মের ভিত্তিতে কেউ সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত হবে না। সংখ্যালঘু হবেন সেই ব্যক্তি বা দল যিনি নির্বাচনে ভোট কম পেয়েছেন। কথাটি তিনি বেশ অনেকবারই বলেছিলেন। পত্রপত্রিকায়ও তা প্রকাশিত হয়েছিল। যেন তিনি জানতেন যে পাকিস্তানের স্বৈরশাসকদের উসকে দেওয়া সাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তি এবং ধর্মের অপব্যবহারকে স্বাধীন বাংলাদেশে রোধ করতে হলে সংখ্যালঘু এই ধারণাটিরই নতুন ব্যাখ্যা ও গণতান্ত্রিক কাঠামোতে তার চর্চার বিশেষ প্রয়োজন রয়েছে।

গণতন্ত্র বলতে তিনি সত্যিকারের আইনের শাসনের ওপর প্রতিষ্ঠিত, জনগণের জান-মাল ও অধিকার সংরক্ষণকারী রাষ্ট্রব্যবস্থার কথাই বলেছিলেন। সেই ব্যবস্থাটি যখন দুর্বল হয়ে যায় তখন তার খেসারত বিশেষ করে দিতে হয় সেই নাগরিকবৃন্দকে যারা ধর্ম ও জাতির ভিত্তিতে সংখ্যালঘু।

পাকিস্তান আমলে যেমন হত। ১৯৬৬ সালের জানুয়ারি মাসে পাকিস্তান সরকারের উসকানিতে সংঘটিত দাঙ্গায় আমাদের পাড়ায় যে হিন্দু গোয়ালা দুধ বিক্রি করত তার মাথা ফাটিয়ে তাকে রাস্তায় ফেলে দিয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তাজউদ্দীন আহমদ ও অন্যান্যরা তাকে ধরাধরি করে আমাদের বাড়িতে নিয়ে আসেন।

সেই গোয়ালার মাথা যখন তাজউদ্দীন আহমদ যত্নের সঙ্গে ব্যান্ডেজ করে দিচ্ছিলেন, তাঁর শিশুকন্যা পাশে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর পাঠশালা হতে এক নির্মম শিক্ষা নেয়। মানুষের সর্বশ্রেষ্ঠ 'মানুষ' পরিচিতিটি তার নিরাপত্তার জন্য যথেষ্ট নয়। জাতি-ধর্মের ভিন্নতা, অবিবর্তিত ও অনালোকিত সমাজে অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে।

১৯৭১ সালে বাঙালি জাতি মুক্তিযুদ্ধে হাতিয়ার তুলে নিয়েছিল এক নতুন ও বৈপ্লবিক সমাজ গঠনের স্বপ্ন নিয়ে যে সমাজে জাতি-ধর্ম-বর্ণের ভিন্নতা উদযাপিত হবে বৈচিত্র্যময় এক সম্পদ রূপে। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের লক্ষ্য ছিল ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও উপজাতির ভেদাভেদ পেরিয়ে এক বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ে তোলা। আমাদের সংবিধানও গঠিত হয়েছিল ওই একই চেতনা নিয়ে, যে রাষ্ট্র ধর্ম, বর্ণ, গোষ্ঠী, জন্মস্থান, নারী ও পুরুষের ভিত্তিতে কারও প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করবে না। সকল ধর্মের মূলবাণীও তাই।

আমরা বাঙালিরা বহুলাংশেই স্মৃতিবিভ্রষ্ট এক জাতি। অতীতের ভুলভ্রান্তি হতে শিক্ষা গ্রহণ আমরা করি না। দেশসেবার অঙ্গীকার ভুলে যাই বলেই খুঁজে পাই না ভবিষ্যত এবং যার ফলে হাবুডুবু খেতে থাকি বর্তমানের অন্তহীন ঘূর্ণিপাকে। সাম্প্রতিককালে ধর্মের ভিত্তিতে সংখ্যালঘুদের ওপর নৃশংস আক্রমণ ও নির্যাতন তারই এক বেদনাদায়ক পরিণতি।

২০০১ সালের সেপ্টেম্বরে ছোট ভাই সোহেলের নির্বাচনের সময় তা স্বচক্ষেই প্রত্যক্ষ করেছিলাম। বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডাররা সোহেলের নির্বাচনী এলাকার হিন্দু ভোটারদের হুমকি দিয়েছিল তারা যাতে ভোটের দিন ঘর থেকে বের না হয়। সেই নির্বাচনে সোহেল জয়লাভ করলেও তার এলাকাসহ সারা দেশেই বিজয়ী বিএনপি দলের ক্যাডাররা শুরু করে তাণ্ডব এবং তাদের সহিংসতার অন্যতম টার্গেট হয় হিন্দু নাগরিকরা।

সে সময় আমি যে রাষ্ট্রের বাসিন্দা, সেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও ঘটে গেছে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার এবং পেন্টাগনে প্লেন হামলার মতো নৃশংস ঘটনা ও প্রায় তিন হাজার নির্দোষ নাগরিকের মর্মান্তিক মৃত্যু। ১৯ জন প্লেন হাইজ্যাকারের মধ্যে ১৫ জনই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের পছন্দের মিত্র দেশ, কট্টর ও উগ্র মতাদর্শ ওয়াহাবীবাদের ধারক-বাহক সৌদি আরবের নাগরিক।

এই সকল সন্ত্রাসীদের পরিচিতি যেহেতু মুসলিম হিসেবে (যদিও সন্ত্রাসীরা কখনওই কোনো ধর্মের প্রতিনিধি নয়), সেহেতু যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিমদের ওপরেও প্রতিহিংসাস্বরূপ ঢালাওভাবে হত্যাযজ্ঞ শুরু হবার কথা ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি স্টেটে স্বাধীনভাবে গড়ে ওঠা মুসলিমদের মসজিদ, স্কুল-কলেজ,ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রতিষ্ঠান, বাসস্থান ভেঙে গুঁড়িয়ে দেবার কথা ছিল, যেমনটি হয়েছিল ভারতের কট্টর হিন্দুদের বাবরী মসজিদ ভাঙার জের ধরে বাংলাদেশের নিরীহ হিন্দুদের ওপর। রাষ্ট্র তাদেরকে রক্ষা করতে পারেনি।

যুক্তরাষ্ট্রের মুসলিমদের ওপর যে কোনো রকম ঝড়-ঝাপটা যায়নি বা তারা কোনো প্রকার ক্ষয়-ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি, তা নয়। কিন্তু সেই ঘটনাগুলি ছিল খুব সীমিত। মুসলিমদের লাশে যুক্তরাষ্ট্রের রাজপথ রঞ্জিত হয়নি, যেমন হয়েছিল গুজরাটের উগ্রপন্থী হিন্দুদের হাতে, যাদের সমর্থন করেছিল স্বয়ং গুজরাটেরই পুলিশ বাহিনী এবং এর পেছনে ওই রাষ্ট্রের তদানীন্তন মুখ্যমন্ত্রীর উসকানি ছিল যা অনেকেই মনে করেন।

বিশ্বজুড়েই যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবাদী বৈদেশিক ও দ্বিমুখী নীতি প্রচণ্ডভাবে সমালোচিত হলেও, সেই রাষ্ট্র ও সেই দেশের মূলধারার নাগরিকরা বরং সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষিতে সেদিন এগিয়ে এসেছিল সংখ্যালঘু ইসলাম ধর্মাবলম্বী নাগরিকদের নিরাপত্তা প্রদানে। ম্যারিল্যান্ডের সিলভার স্প্রিং-এ আমার বাড়ির কাছেই, সন্ত্রাসী হামলার মাত্র তিনদিন পরে, সব মসজিদগুলিতে জুম্মার নামাজের দিন রাষ্ট্র হতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছিল, যাতে আমরা নিরাপদে নামাজ আদায় করতে পারি।

ম্যারিল্যান্ডের মন্টোগোমারী কাউন্টির তৎকালীন এক্সিকুটিভ ডগলাস ডানকান ও পুলিশ চিফ চার্লস মুস সেদিন প্রতিহিংসার হাত হতে মুসলিমদেরকে রক্ষার জন্য যেভাবে নিজেদেরকে নিবেদন করেছিলেন তা আজও আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। আমার মার্কিন বন্ধু ও প্রতিবেশিরা, যারা মুসলিম নন তারাও সেদিন এগিয়ে এসেছিলেন আমাদের সাহায্য ও সমর্থনে।

সোহেলের নির্বাচনের জন্য আমার ঢাকায় যাবার ফ্লাইট ৯/১১ এর সন্ত্রাসী হামলার কারণে বাতিল হয়ে পরে নির্ধারিত হয়। সেই অনিশ্চিত সময়, ওই নির্মম হামলার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায়, নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ও শান্তির পক্ষে একাত্মতা প্রদর্শনের জন্য ভার্জিনিয়ায় কর্মরত আইনজীবী তাসনীম আহমেদ ও আমিরকভিল টাউন সেন্টারে এক জনসভার পরিকল্পনা ও আয়োজন করি। সেই জনসভায় বিভিন্ন ধর্ম ও জাতির শতাধিক মানুষের আগমন ঘটে।

হিজাব পরিহিত যেসব মুসলিম মহিলা চিহ্নিত হবার আশঙ্কায় ঘর থেকে বাইরে আসতে শঙ্কিত বোধ করেছিলেন তারাও সাহস করে যোগ দিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করেন। যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে শান্তির পক্ষে মুসলিমদের আয়োজিত এই জনসভার কথা প্রচারিত ও প্রশংসিত হয়।

বলাবাহুল্য যে আমাদের পক্ষে ওই শান্তিসভার আয়োজন সম্ভবপর হত না যদি না রাষ্ট্র ও সাধারণ জনগণ আমাদের পাশে এসে দাঁড়াত।

অথচ কী নিদারুণ দুঃখ ও লজ্জার ব্যাপার যে আমি যে দেশটিতে জন্মগ্রহণ করেছি এবং যে দেশটি সামাজিক ন্যায়বিচারকে উচ্চ সোপানে অধিষ্ঠিত করার জন্য লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে স্বাধীন হয়েছে– সেই দেশটির সাধারণ নাগরিক, বিশেষত যারা ধর্মের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত তাদের জীবন, সম্ভ্রম ও নিরাপত্তা লুণ্ঠিত হচ্ছে প্রতিদিন! সমাজ ও রাষ্ট্র তাদের প্রতি সুবিচার করতে পারছে না।

সংখ্যালঘু আসলে কারা? এ নিয়ে আমি আমার অভিজ্ঞতালব্ধ একটি চিন্তার কথা তুলে ধরব। ২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে আমি বাংলাদেশে এসে প্রি-নেটাল এডুকেশনের ওপর এক মাস ব্যাপী একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করি। সে সময় কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র হতে আমার সঙ্গে আগত তিনজন ট্রেনারকে নিয়ে ঢাকার আশেপাশের এলাকাসহ সিলেটে চাবাগানের শ্রমিকদের গড়া স্কুল, শ্রমিক মা, ধাত্রী এবং স্থানীয় খাসিয়া (যাদেরকে উপজাতি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়) তাদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা-করি ভ্রুণের বিকাশ, সন্তানের জন্ম, লালনপালন, শিক্ষা ইত্যাদি সম্পর্কে।

চাবাগানের শ্রমিকরা যাদের অধিকাংশই উপজাতি তারা উঁচু পাহাড়ের ওপর চমৎকার এক স্কুল করেছেন। স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের খুবই অসুবিধা হয় বৃষ্টি-বাদলের দিনে পাহাড় বেয়ে উঠতে। খুব অনিরাপদ। সমতলে স্কুল করার জন্য তারা কর্তৃপক্ষ থেকে সহযোগিতা না পেলেও তাদের লেখাপড়া শেখার উদ্যম ঠেকিয়ে রাখা সম্ভবপর হয়নি।

শহর অঞ্চলগুলিতে সিজার করে সন্তান জন্মের সংখ্যাক্রম বর্ধিত হলেও ধাত্রী জানালেন যে গত এক বছরে নারী শ্রমিকদের একটি বাচ্চাও সিজারের মাধ্যমে ভূমিষ্ঠ হয়নি। সব বাচ্চাই সুস্থ ও স্বাভাবিকভাবে জন্মগ্রহণ করেছে (সন্তান ও মায়ের ওপর নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার কারণে সিজার সর্বশেষ বিকল্প হিসেবে পরিগণিত হয়)।

খাসিয়ারা যে জায়গায় থাকেন সেখানে ঢোকার কোনো রাস্তা ছিল না। একটি নালার ওপর মরা গাছের গুঁড়ি ফেলে কোনোমতে চলাচল করা হয়। সেখানে বিদ্যুৎ পৌঁছেনি। সরকারি কোনো স্কুলও নেই তাদের জন্য। সেখানে যেয়ে তাদের উন্নত চিন্তা ও আচরণের সঙ্গে পরিচিত হয়ে শ্রদ্ধাবনত হয়েছিলাম।

তারা কঠোর পরিশ্রমী। অত্যন্ত পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন। দলাদলি করেন না। মিথ্যা বলেন না। মানুষকে ঠকান না। তারা পান-চাষের উপার্জন দিয়ে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া শেখাচ্ছেন। শিক্ষার্থীদের মধ্যে যারা উঁচু ক্লাসে পড়ছে, তারা স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে নিচু ক্লাসের ছাত্রছাত্রীদের পড়াচ্ছে। আমরা যখন সেখানে পৌঁছলাম, কলেজেপড়ুয়া খাসিয়া এক তরুণ, বাচ্চাদের পড়াচ্ছিল।

আমার সহকর্মী জুডি সব দেখে এতই অভিভুত হয়ে পড়ে যে সেই তরুণের লেখাপড়ার খরচা বহনের দায়িত্ব সে তাৎক্ষণিকভাবেই নেয়। এই উপজাতিদের মতো মহৎ চিন্তাকর্মের মানুষেরা কি জাতিধর্মের ভিত্তিতে সংখ্যালঘু হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে? এই চিন্তাটি সেদিন মনে উদয় হয়েছিল।

আমার ধারণা যে মানুষ যখন সব ধর্মের মূলবাণী মনুষ্যত্বকে নিজ চিন্তা ও কর্মে লালন করেন তখন তারা প্রতিনিধি হন বিশ্বমানবতার। তারা অতিক্রম করে যান বিশেষ ধর্ম, জাতি ও উপজাতির সীমানা। তারা আর সংখ্যালঘু থাকেন না। বিপরীতে সংখ্যাগরিষ্ঠের অংশ বিশেষের অমানবিক কার্যকলাপ তাদের করে তোলে লঘু থেকে লঘুতর। ক্ষুদ্র হতে ক্ষুদ্রতর। তারা বিশ্বমানবতার এবং বিশ্বপ্রতিপালকের দরবারে কোনো স্থানই পায় না।

বাংলাদেশ কাদের প্রতিনিধিত্ব করবে? রাষ্ট্রপরিচালনায়, দলীয় কার্যক্রমে ও জাতিগতভাবে সেই সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করবে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ও অস্তিত্ব।


কোস্তারিকা, ১৬ নভেম্বর, ২০১৩


শারমিন আহমেদ :
শিক্ষাবিদ ও বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের জ্যেষ্ঠ কন্যা।

তৌফিক ইমরোজ খালিদী
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক