রোপণের কৌশলে ধানের চারায় জাতির জনকের যে অবয়ব ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বগুড়ার শেরপুরে, বিশ্বের সবচেয়ে বড় শস্যচিত্র হিসেবে তা স্থান করে নিয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের পাতায়।
১৯৭৩-৭৫ সালে বরগুনার (বর্তমানে জেলা) মহকুমা প্রশাসক (এসডিও) ছিলেন সিরাজ উদ্দীন আহমেদ। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বঙ্গবন্ধু হত্যার খবর শুনে ওইদিন থেকেই প্রথম প্রকাশ্যে প্রতিবাদ ও সামরিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ সংঘটিত হয় বরগুনায়।
১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্ট সপরিবারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নৃশংসভাবে হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর যে প্রতিবাদ হয়েছিল তা অনেকাংশেই নানাভাবে চাপা দেওয়ার চেষ্টা চলেছে।
ওয়্যারলেসের মাধ্যমে খবর পাঠানো অবস্থায় ধরা পড়েন সুবেদার মেজর শওকত আলী। অন্যদিকে সেদিন রাতে শহীদ প্রকৌশলী এ কে এম নুরুল হকই ফোন রেডিও ট্রান্সমিশনের মাধ্যমে স্বাধীনতার রেকর্ডেড ঘোষণা প্রচার করে, বঙ্গবন্ধুকে ফোন করেছিলেন।
যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে যখন জনগণের তিনবেলা খাবারের ব্যবস্থা করাই ছিল দুরূহ, রাষ্ট্রীয় কোষাগারের অবস্থাও নাজকু, সেই সময় প্রাথমিক শিক্ষাকে অবৈতনিক করেছিলেন রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
মধুমতি পাড়ের গ্রামটিতে ‘দস্যিপনার’ শৈশব পেরিয়ে এসে সহপাঠী-বন্ধুমহলে নেতা হয়ে উঠেছিলেন যিনি; বাঙালির অধিকার আদায়ের প্রশ্নে কৈশোর থেকেই যিনি সচেতন, সেই শেখ মুজিবই হয়ে উঠেছিলেন বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের কাণ্ডারি।