লালদিয়ার চরে উচ্ছেদ

  • স্থানীয়দের প্রতিবাদ সত্ত্বেও কর্ণফুলী নদীর তীর সংলগ্ন চট্টগ্রামের লালদিয়ার চরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ছবি: সুমন বাবু

    স্থানীয়দের প্রতিবাদ সত্ত্বেও কর্ণফুলী নদীর তীর সংলগ্ন চট্টগ্রামের লালদিয়ার চরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ছবি: সুমন বাবু

  • কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উচ্চ আদালত গত বছরের ডিসেম্বরে দুই মাসের সময় বেঁধে দেয়। প্রায় ৪৯ বছর ধরে লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, এখানে পুনর্বাসন সুবিধা পাওয়ার মতো কেউ নেই। ছবি: সুমন বাবু

    কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উচ্চ আদালত গত বছরের ডিসেম্বরে দুই মাসের সময় বেঁধে দেয়। প্রায় ৪৯ বছর ধরে লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, এখানে পুনর্বাসন সুবিধা পাওয়ার মতো কেউ নেই। ছবি: সুমন বাবু

  • স্থানীয়দের প্রতিবাদ সত্ত্বেও কর্ণফুলী নদীর তীর সংলগ্ন চট্টগ্রামের লালদিয়ার চরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ছবি: সুমন বাবু

    স্থানীয়দের প্রতিবাদ সত্ত্বেও কর্ণফুলী নদীর তীর সংলগ্ন চট্টগ্রামের লালদিয়ার চরে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ছবি: সুমন বাবু

  • ১৯৭২ সালে বিমান ঘাঁটি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হলে ঘাঁটি সংলগ্ন বসতি ছেড়ে লালদিয়ার চরে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, সেসময় তাদের স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে আর তা দেওয়া হয়নি। ছবি: সুমন বাবু

    ১৯৭২ সালে বিমান ঘাঁটি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হলে ঘাঁটি সংলগ্ন বসতি ছেড়ে লালদিয়ার চরে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, সেসময় তাদের স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে আর তা দেওয়া হয়নি। ছবি: সুমন বাবু

  • ১৯৭২ সালে বিমান ঘাঁটি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হলে ঘাঁটি সংলগ্ন বসতি ছেড়ে লালদিয়ার চরে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, সেসময় তাদের স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে আর তা দেওয়া হয়নি। ছবি: সুমন বাবু

    ১৯৭২ সালে বিমান ঘাঁটি সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হলে ঘাঁটি সংলগ্ন বসতি ছেড়ে লালদিয়ার চরে বসতি স্থাপন করে স্থানীয়রা। তাদের অভিযোগ, সেসময় তাদের স্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে আর তা দেওয়া হয়নি। ছবি: সুমন বাবু

  • কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উচ্চ আদালত গত বছরের ডিসেম্বরে দুই মাসের সময় বেঁধে দেয়। প্রায় ৪৯ বছর ধরে লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, এখানে পুনর্বাসন সুবিধা পাওয়ার মতো কেউ নেই। ছবি: সুমন বাবু

    কর্ণফুলী নদীর দুই তীরে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে উচ্চ আদালত গত বছরের ডিসেম্বরে দুই মাসের সময় বেঁধে দেয়। প্রায় ৪৯ বছর ধরে লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের পুনর্বাসন ছাড়াই উচ্ছেদ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। নৌ প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, এখানে পুনর্বাসন সুবিধা পাওয়ার মতো কেউ নেই। ছবি: সুমন বাবু

  • ফেব্রুয়ারি মাসে বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলে আন্দোলনে নামে লালদিয়ার চরের মানুষ। সবশেষ চরে ২৩০০ পরিবারের ১৪ হাজার মানুষের বসতি ছিল। ছবি: সুমন বাবু

    ফেব্রুয়ারি মাসে বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলে আন্দোলনে নামে লালদিয়ার চরের মানুষ। সবশেষ চরে ২৩০০ পরিবারের ১৪ হাজার মানুষের বসতি ছিল। ছবি: সুমন বাবু

  • ফেব্রুয়ারি মাসে বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলে আন্দোলনে নামে লালদিয়ার চরের মানুষ। সবশেষ চরে ২৩০০ পরিবারের ১৪ হাজার মানুষের বসতি ছিল। ছবি: সুমন বাবু

    ফেব্রুয়ারি মাসে বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলে আন্দোলনে নামে লালদিয়ার চরের মানুষ। সবশেষ চরে ২৩০০ পরিবারের ১৪ হাজার মানুষের বসতি ছিল। ছবি: সুমন বাবু

  • ফেব্রুয়ারি মাসে বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলে আন্দোলনে নামে লালদিয়ার চরের মানুষ। সবশেষ চরে ২৩০০ পরিবারের ১৪ হাজার মানুষের বসতি ছিল। ছবি: সুমন বাবু

    ফেব্রুয়ারি মাসে বন্দর কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলে আন্দোলনে নামে লালদিয়ার চরের মানুষ। সবশেষ চরে ২৩০০ পরিবারের ১৪ হাজার মানুষের বসতি ছিল। ছবি: সুমন বাবু

  • চট্টগ্রাম লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের উচ্ছেদের পরপরই কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ছবি: সুমন বাবু

    চট্টগ্রাম লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের উচ্ছেদের পরপরই কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ছবি: সুমন বাবু

  • চট্টগ্রাম লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের উচ্ছেদের পরপরই কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ছবি: সুমন বাবু

    চট্টগ্রাম লালদিয়ার চরের বাসিন্দাদের উচ্ছেদের পরপরই কাঁটাতারের বেড়া দিচ্ছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। ছবি: সুমন বাবু