পাগড়ির বাজারে মহামারীর মন্দা

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় আব্দুল গফুর নিজ হাতে ১২ বছর ধরে বানাচ্ছেন বিয়ের পাগড়ি। মহামারীর কারণে গতবছর কারখানা বন্ধই ছিল। এ বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে আবার কাজ শুরু হলেও ব্যবসা সেভাবে জমেনি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় আব্দুল গফুর নিজ হাতে ১২ বছর ধরে বানাচ্ছেন বিয়ের পাগড়ি। মহামারীর কারণে গতবছর কারখানা বন্ধই ছিল। এ বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে আবার কাজ শুরু হলেও ব্যবসা সেভাবে জমেনি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় পাগড়ি কারখানায় নরম ফোমের ওপর রঙিন কাপড় লাগাচ্ছেন কারিগর আবেদ। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় পাগড়ি কারখানায় নরম ফোমের ওপর রঙিন কাপড় লাগাচ্ছেন কারিগর আবেদ। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় বিয়ের পাগড়ির কারখানায় নরম ফোমের ওপর বাহারি রঙের পাতলা নেটের কাপড় লাগাচ্ছেন কারিগর আবেদ। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় বিয়ের পাগড়ির কারখানায় নরম ফোমের ওপর বাহারি রঙের পাতলা নেটের কাপড় লাগাচ্ছেন কারিগর আবেদ। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এক কারখানায় বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে পাগড়ি । ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এক কারখানায় বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে পাগড়ি । ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এক কারখানায় বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে পাগড়ি । ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এক কারখানায় বিক্রির জন্য রাখা হয়েছে পাগড়ি । ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় বানানো এসব পাগড়ি বিক্রি হয় ডজন ধরে। দাম নির্ভর করে ডিজাইনের ওপর। কোনোটির ডজন ৭২০ টাকা, কোনোটির ১৮০০ টাকা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় বানানো এসব পাগড়ি বিক্রি হয় ডজন ধরে। দাম নির্ভর করে ডিজাইনের ওপর। কোনোটির ডজন ৭২০ টাকা, কোনোটির ১৮০০ টাকা। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এক কারখানায় বানানো বিয়ের পাগড়িতে কাপড়ের লেইস বসাচ্ছেন কারিগর আব্দুল গফুর। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এক কারখানায় বানানো বিয়ের পাগড়িতে কাপড়ের লেইস বসাচ্ছেন কারিগর আব্দুল গফুর। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এক কারখানায় বানানো বিয়ের পাগড়িতে কাপড়ের লেইস বসাচ্ছেন কারিগর আব্দুল গফুর। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এক কারখানায় বানানো বিয়ের পাগড়িতে কাপড়ের লেইস বসাচ্ছেন কারিগর আব্দুল গফুর। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় ছোট এই কক্ষে বিয়ের পাগড়ি বানাচ্ছেন কারিগর আব্দুল গফুর। তার চারদিকে সারি দিয়ে রাখা নানা রকম পাগড়ি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় ছোট এই কক্ষে বিয়ের পাগড়ি বানাচ্ছেন কারিগর আব্দুল গফুর। তার চারদিকে সারি দিয়ে রাখা নানা রকম পাগড়ি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় ২৩ বছর ধরে বিয়ের পাগড়ি বানাচ্ছেন কারিগর আবেদ। মহামারীর বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়েছে, কিন্তু বিক্রি বাড়েনি বলে দাম বাড়ানো যাচ্ছে না বলে জানালেন তিনি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় ২৩ বছর ধরে বিয়ের পাগড়ি বানাচ্ছেন কারিগর আবেদ। মহামারীর বাজারে কাঁচামালের দাম বেড়েছে, কিন্তু বিক্রি বাড়েনি বলে দাম বাড়ানো যাচ্ছে না বলে জানালেন তিনি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এই কারখানায় তৈরি হয় বিয়ের পাগড়ি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকার এই কারখানায় তৈরি হয় বিয়ের পাগড়ি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • বরের মাথার পাগড়ি বানাতে প্রথমে গোল আকৃতি দেওয়া হয় মোটা কাগজ দিয়ে। তার সাথে ব্যবহার করা হয় নরম ফোম, বাহারি রঙের কাপড় এবং বিভিন্ন ডিজাইনের লেইস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    বরের মাথার পাগড়ি বানাতে প্রথমে গোল আকৃতি দেওয়া হয় মোটা কাগজ দিয়ে। তার সাথে ব্যবহার করা হয় নরম ফোম, বাহারি রঙের কাপড় এবং বিভিন্ন ডিজাইনের লেইস। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

  • ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় আব্দুল গফুর নিজ হাতে ১২ বছর ধরে বানাচ্ছেন বিয়ের পাগড়ি। মহামারীর কারণে গতবছর কারখানা বন্ধই ছিল। এ বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে আবার কাজ শুরু হলেও ব্যবসা সেভাবে জমেনি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি

    ঢাকার লালবাগের দেবীদাস ঘাট এলাকায় আব্দুল গফুর নিজ হাতে ১২ বছর ধরে বানাচ্ছেন বিয়ের পাগড়ি। মহামারীর কারণে গতবছর কারখানা বন্ধই ছিল। এ বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে আবার কাজ শুরু হলেও ব্যবসা সেভাবে জমেনি। ছবি: মাহমুদ জামান অভি