শঙ্খ পাড়ের জীবন

  • শঙ্খ নদীর পাড়েই থানচি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়ন। উপজেলা সদর থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় এক ঘণ্টার দূরত্ব। নদীপথে দূরত্ব মাপার কারণ এই ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম খুবই দুর্গম। উঁচু-নিচু পাহাড়ি জঙ্গলাকীর্ণ পথেই চলাচল করতে হয় বাসিন্দাদের। সেখানে নেই মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কও। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    শঙ্খ নদীর পাড়েই থানচি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়ন। উপজেলা সদর থেকে ইঞ্জিনচালিত নৌকায় এক ঘণ্টার দূরত্ব। নদীপথে দূরত্ব মাপার কারণ এই ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রাম খুবই দুর্গম। উঁচু-নিচু পাহাড়ি জঙ্গলাকীর্ণ পথেই চলাচল করতে হয় বাসিন্দাদের। সেখানে নেই মোবাইল ফোনের নেটওয়ার্কও। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

  • বান্দরবনের শঙ্খ নদীর পাড়ে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে একটি শীতকালীন সবজির ক্ষেত। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    বান্দরবনের শঙ্খ নদীর পাড়ে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে একটি শীতকালীন সবজির ক্ষেত। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

  • বান্দরবনের শঙ্খ নদীর পাড়ে শীতকালীন সবজির বীজ রোপণ করছেন কিষাণীরা। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    বান্দরবনের শঙ্খ নদীর পাড়ে শীতকালীন সবজির বীজ রোপণ করছেন কিষাণীরা। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

  • বান্দরবনের শঙ্খ নদীর তীরে সবজি ক্ষেতের জন্য দলবেঁধে মাটি কাটছেন কিষাণীরা। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    বান্দরবনের শঙ্খ নদীর তীরে সবজি ক্ষেতের জন্য দলবেঁধে মাটি কাটছেন কিষাণীরা। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

  • বান্দরবনে শীতকালীন সবজির বীজ রোপণের জন্য প্রস্তত হয়ে আছে শঙ্খ নদীর পাড়। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    বান্দরবনে শীতকালীন সবজির বীজ রোপণের জন্য প্রস্তত হয়ে আছে শঙ্খ নদীর পাড়। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

  • বান্দরবনে শীতকালীন সবজির বীজ রোপণের জন্য প্রস্তত হয়ে আছে শঙ্খ নদীর পাড়। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    বান্দরবনে শীতকালীন সবজির বীজ রোপণের জন্য প্রস্তত হয়ে আছে শঙ্খ নদীর পাড়। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

  • বান্দরবনের শঙ্খ নদীর তীরের বাসিন্দারা ঘরের পাশে শীতকালীন সবজি ক্ষেতের জন্য পোড়াচ্ছে বুনো আগাছা। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    বান্দরবনের শঙ্খ নদীর তীরের বাসিন্দারা ঘরের পাশে শীতকালীন সবজি ক্ষেতের জন্য পোড়াচ্ছে বুনো আগাছা। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

  • য়াংহ্রিসে নামে একটি স্থানে তৈরি করা হয়েছে যাতায়াতের ঘাট। এ ঘাট দিয়ে যাতায়াত হয় আশপাশে কয়েকটি মারমা, ম্রো ও ত্রিপুরা পাড়ায়। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    য়াংহ্রিসে নামে একটি স্থানে তৈরি করা হয়েছে যাতায়াতের ঘাট। এ ঘাট দিয়ে যাতায়াত হয় আশপাশে কয়েকটি মারমা, ম্রো ও ত্রিপুরা পাড়ায়। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

  • বান্দরবনের থানচি সদর থেকে নদীর উজানে গেলে চোখে পড়ে বাঁশ ও কাঠের তৈরি মাচাং বা ঘর। ঘরের পাশে প্রস্তুত করা হয়েছে শীতকালীন সবজির ক্ষেত। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    বান্দরবনের থানচি সদর থেকে নদীর উজানে গেলে চোখে পড়ে বাঁশ ও কাঠের তৈরি মাচাং বা ঘর। ঘরের পাশে প্রস্তুত করা হয়েছে শীতকালীন সবজির ক্ষেত। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

  • বান্দরবনের থানচি সদর থেকে নদীর উজানে গেলে চোখে পড়ে বাঁশ ও কাঠের তৈরি মাচাং বা ঘর। ঘরের পাশে প্রস্তুত করা হয়েছে শীতকালীন সবজির ক্ষেত। ছবি: উসিথোয়াই মারমা

    বান্দরবনের থানচি সদর থেকে নদীর উজানে গেলে চোখে পড়ে বাঁশ ও কাঠের তৈরি মাচাং বা ঘর। ঘরের পাশে প্রস্তুত করা হয়েছে শীতকালীন সবজির ক্ষেত। ছবি: উসিথোয়াই মারমা