১৮ মাস পর খুলল ঢাবি গ্রন্থাগারের দুয়ার

  • প্রায় ১৮ মাস পর খুলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। রোববার সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রন্থাগারে ঢুকতে পারেন শিক্ষার্থীরা, এই সময় তাদে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    প্রায় ১৮ মাস পর খুলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। রোববার সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রন্থাগারে ঢুকতে পারেন শিক্ষার্থীরা, এই সময় তাদে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • প্রায় ১৮ মাস পর খুলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। রোববার সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রন্থাগারে ঢুকতে পারেন শিক্ষার্থীরা, এই সময় তাদে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    প্রায় ১৮ মাস পর খুলেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। রোববার সকালে স্বাস্থ্যবিধি মেনে গ্রন্থাগারে ঢুকতে পারেন শিক্ষার্থীরা, এই সময় তাদে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হয়। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রোববার শিক্ষার্থীদের জন্য সীমিত আকারে খুলে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। ঢোকার সময় শিক্ষার্থীদের হাত স্যানিটাইজ করে নিতে হচ্ছে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রোববার শিক্ষার্থীদের জন্য সীমিত আকারে খুলে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। ঢোকার সময় শিক্ষার্থীদের হাত স্যানিটাইজ করে নিতে হচ্ছে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ২০২০ সালের মার্চ মাসে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। মহামারীর কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রোববার স্নাতক শেষ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার খুলে দেওয়া হয়েছে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ২০২০ সালের মার্চ মাসে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ও বন্ধ ঘোষণা করা হয়। মহামারীর কারণে দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রোববার স্নাতক শেষ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার খুলে দেওয়া হয়েছে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রায় ১৮ মাস বন্ধ ছিল। রোববার খুলে দেওয়ার পর সেখানে পড়ালেখা করতে পারছে স্নাতক শেষ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থীরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রায় ১৮ মাস বন্ধ ছিল। রোববার খুলে দেওয়ার পর সেখানে পড়ালেখা করতে পারছে স্নাতক শেষ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থীরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রায় ১৮ মাস বন্ধ ছিল। রোববার খুলে দেওয়ার পর সেখানে পড়ালেখা করতে পারছে স্নাতক শেষ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থীরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার প্রায় ১৮ মাস বন্ধ ছিল। রোববার খুলে দেওয়ার পর সেখানে পড়ালেখা করতে পারছে স্নাতক শেষ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর পর্বের শিক্ষার্থীরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর রোববার খুলে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। খুলে দেওয়ার পর সেখানে পড়ালেখা করছেন এক শিক্ষার্থী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর রোববার খুলে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। খুলে দেওয়ার পর সেখানে পড়ালেখা করছেন এক শিক্ষার্থী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর রোববার খুলে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। খুলে দেওয়ার পর সেখানে পড়ালেখা করছেন এক শিক্ষার্থী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর রোববার খুলে দেওয়া হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার। খুলে দেওয়ার পর সেখানে পড়ালেখা করছেন এক শিক্ষার্থী। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে পড়ালেখা করছে শিক্ষার্থীরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে পড়ালেখা করছে শিক্ষার্থীরা। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

  • দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার খুলে দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র এবং টিকার কার্ড দেখিয়ে প্রবেশ করছে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি

    দেড় বছর বন্ধ থাকার পর রোববার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার খুলে দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচয়পত্র এবং টিকার কার্ড দেখিয়ে প্রবেশ করছে। ছবি: আসিফ মাহমুদ অভি